• বুধবার   ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৬ ১৪২৯

  • || ১৭ রজব ১৪৪৪

আজকের খুলনা

ভৈরব সেতু : এলাকাবাসীর বহুদিনের স্বপ্ন এবার পূরণ হতে চলেছে

আজকের খুলনা

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২  

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডক্টর মসিউর রহমান বলেছেন, ভৈরব সেতুর সফল বাস্তবায়ন এ অঞ্চলের মানুষের বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী, সেতুমন্ত্রী ও পরিকল্পনা কমিশনের সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও সহানুভুতি ছাড়া ভৈরব নদীর ওপর ভৈরব সেতুর সফল বাস্তবায়ন সম্ভব ছিলনা। এ অন্ঞ্চলের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে বড় বাধা ছিল ভৈরব নদী পারাপার। কারণ এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা দৌলতপুর এবং খুলনার সাথে সম্পৃক্ত। এলাকার মানুষের যাতায়াতের দীর্ঘদিনের অসুবিধা ছিলো।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডক্টর মসিউর রহমান বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) ভৈরব সেতুর দিঘলিয়া প্রান্তের জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে মুঠোফোনে সম্পৃক্ত হয়ে এলাকাবাসী, প্রশাসন, সেতুর সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ব্যক্তিবর্গের উদ্দেশ্যে বক্তব্যকালে তিনি এসব অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, ভৈরব সেতুর সফল বাস্তবায়নের এক বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। তিনি এ সময় দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হায়দার আলী মোড়লের নাম নিয়ে বলেন যে এ গুরুত্বের কথা তিনি জানেন। আর সেটি হলো সেতুটি যেখানে হচ্ছে তার পাশেই রয়েছে একটা গোডাউন, যে গুদামের মূল মালিক বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। উত্তরাধিকারসূত্রে এই জমির মালিক বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই ধরণের গুরুত্ববহ সহ অবস্থান আমরা আর কোন সেতুতে পাবো না। এটা মনে রাখতে হবে এই ব্রিজটি প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারবর্গের স্মৃতি বহন করছে। এই স্মৃতিকে আমরা সব সময় ধরে রাখার চেষ্টা করবো। ডক্টর মসিউর রহমান উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি যাওয়ার আগে রেলমন্ত্রীকে বলেছিলাম খুলনা আসতে। তিনি সরেজমিনে খুলনা এলে রেলের জায়গাটার অধিগ্রহন কাজ সহজ হতো। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন রেলের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে যে অসুবিধা হচ্ছে আশা করি সেটা দূর হবে এবং সেতুটির কাজ দ্রুত হবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় লোকের সহানুভূতি, প্রশাসনের সহানুভূতি এবং উদ্যোগ না থাকলে এককভাবে এ সেতু নির্মাণ করা কারোর পক্ষে সম্ভব হতো না। এটা একটা বড় কাজ হলো যার উপকার এই এলাকার মানুষ যুগ যুগ ধরে ভোগ করবে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যারা আছেন তারা সবাই এই কথাটা মনে রাখবেন। সেতুর জন্য এলাকার মানুষ যারা জমি দিয়েছেন তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন এর সুফলতো এই এলাকার বাসিন্দারাই ভোগ করবে। 
উল্লেখ্য,  ভৈরব সেতুর প্রস্তাবনা তৈরীসহ সেতুর নির্মাণ কাজ এগিয়ে নেওয়ার পিছনে নিরলসভাবে  যিনি কাজ করে চলেছেন এবং ভৈরব সেতুর সফল বাস্তবায়নে সর্বদা যিনি খবরদারী করছেন তিনি হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ডক্টর মসিউর রহমান। যিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সচিব ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন দক্ষ আমলা।
উল্লেখ্য যে, দিঘলিয়ার উন্নয়ন তথা সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টার সাথে থেকে ছায়াবৃক্ষের ন্যায় নিরলসভাবে যে ব্যক্তিদ্বয় কাজ করে চলেছেন তারা হলেন মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান ও মোঃ এম এ রিয়াজ কচি। 
ডক্টর মসিউর রহমান খুলনা জেলার ইতিহাস, সাংস্কতি ঐতিহ্যে ভরপুর দিঘলিয়া উপজেলার সুগন্ধি গ্রামের কৃতী সন্তান।  

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা