• রোববার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১ ১৪৩০

  • || ০৪ শাওয়াল ১৪৪৫

আজকের খুলনা

মেসি জাদুতে মায়ামির প্রথম শিরোপা

আজকের খুলনা

প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৩  

 

লিওনেল মেসির দুর্দান্ত গোলের পর টাইব্রেকার নাটকীয়তায় নাশভিলকে হারিয়ে নিজেদের প্রথম শিরোপা জিতল ইন্টার মায়ামি।

লিগস কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে নাশভিলের মাঠ জিওডিস পার্কে নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। টুর্নামেন্টে কোনো অতিরিক্ত সময় না থাকায় ৯০ মিনিট পরই ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেও প্রথম গোলটি করে পথ দেখান মেসি। শেষ পর্যন্ত ১০-৯ ব্যবধানে জিতে নিজেদের প্রথম শিরোপা উল্লাসে মাতে মায়ামি সমর্থকরা।

মাস খানেক আগেও যে দলটি ছিল আনকোরা, লিগে যাদের অবস্থান ছিল পয়েন্ট টেবিলের একেবারেই তলানীতে, সেই দলকেই শিরোপা অমোচনীয় স্বাদ পাইয়ে দিলেন বিশ্বের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি।

জিওডিস পার্ক স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ৩০ হাজার। ফাইনালের সব টিকিট কয়েক মিনিটের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়। একটা টিকিটের আশায় বহু মানুষ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানে ফোন করেও লাভ হয়নি। মায়ামি থেকে আসা অনেকে নাশভিল সমর্থকদের কাছ থেকে চড়া দামে টিকিট কিনে খেলা দেখেছেন।

এর আগে ৬ আগস্ট ডালাসের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ম্যাচের টিকিট মাত্র ১০ মিনিটে শেষ হয়ে গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে সেটাই ছিল প্রতিপক্ষের মাঠে মেসির প্রথম ম্যাচ। বিপুল লাভের আশায় প্রতিপক্ষের সমর্থকেরা অবলীলায় নিজেদের টিকিট মায়ামির সমর্থক ও মেসির ভক্তদের কাছে বিক্রি করেন। মাত্র এক মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে এমনই উন্মাদনা তৈরি করেছেন ফুটবল জাদুকর।

২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর ইন্টার মায়ামির ট্রফি জয়ের সম্ভাবনা কখনোই ৪১ শতাংশের ওপরে ওঠেনি। সেই মায়ামি এখন নিজেদের ইতিহাসের প্রথম শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়ে গেল। রেকর্ড সাতবারের বর্ষসেরা ফুটবলার আসার আগে যে দলটা সর্বশেষ ১০ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জিতেছিল, সেই দলই জাদুকরের জাদুর ভেলায় চড়ে টানা ৭ ম্যাচ জিতে মাতলো লিগস কাপ জয়ের আনন্দে।

মায়ামিতে নিজের প্রতিটা ম্যাচেই গোল করলেন মেসি। মাঠে সামনে থেকে দলকে পথও দেখিয়েছেন এই বিশ্বকাপয়ী। সব মিলিয়ে ৭ ম্যাচে তার গোল ১০টি, পাশাপাশি আছে একটি অ্যাসিস্ট।

ফাইনালে ম্যাচের ২৩তম মিনিটে দর্শনীয় গোলে দলকে এগিয়ে নেন মেসি। ডি বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়ে ট্রেডমার্ক দৌড়ে তিনজনকে কাটিয়ে রক্ষণ জটলার মধ্য থেকে নেন বাম পায়ের উচু শট। গোলরক্ষক ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি। পোস্টের উঁচু কোনা দিয়ে জড়িয়ে যায় জালে।

ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে সমতা ফেরায় নাশভিল। বল দখলে তারা পিছিয়ে থাকলেও আক্রমনে স্বাগতিকরা ছিল এগিয়ে। সব মিলিয়ে তারা ১১ শটের ছয়টিই রাখে লক্ষ্যে। বিপরীতে ছয় শটের কেবল দুটি লক্ষ্যে রাখতে পারে মায়ামি।

টাইব্রেকারে প্রথম শটটি নেন মেসি। নাশভিল দ্বিতীয় শটে গোল করতে ব্যর্থ হয়। পঞ্চম শটে মায়ামি গোল পেলে ওখানেই মীমাংসা হয়ে যেত। কিন্তু মিস করেন ভিক্টর উলোয়া। এরপর সমান তালে এগুতে থাকে স্কোরবোর্ড। অবশেষে নিজেদের একাদশ শটে মিস নাশভিল। তাদের গোলরক্ষকের নেওয়া শট বামে ঝাঁপিয়ে রুখে জয়ের বাঁধনহারা উল্লাসে মাতে মায়ামি গোলরক্ষক।

 

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা