বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

জিয়া-এরশাদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা অফিস

আজকের খুলনা

প্রকাশিত : ০৪:৪২ পিএম, ৫ নভেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসান বলেছেন, মেজর জিয়া এবং এরশাদ কখনোই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। মহামান্য আদালতের রায়ে বলা হয়েছে অসাংবিধানিকভাবে এরা রাষ্ট্রপতির নাম লিখেছেন। তাই তারা কখনোই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।

আজ মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘নভেম্বর ১৯৭৫, ষড়যন্ত্র, রক্তাক্ত বাংলাদেশ ও প্রতিক্রিয়াশীলতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা মুক্তিযুদ্ধ, গণহত্যা, এবং জেল হত্যাসহ বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া নানা আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মেজর জিয়া বাংলাদেশে যে বিচারহীনতার রাজনীতি স্থাপন করে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা সেই অপরাজনীতির হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছেন। জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন তার আদেশেই জেলে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তার মৃত্যুও নির্মমভাবে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মেজর জিয়া এবং এরশাদ ছিল খুনি চক্র। খুন করে ক্ষমতা দখল করেছে। এই খুনি চক্ররা কখনোই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।

স্মৃতিচারণে মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, আমরা দেখেছি মেজর জিয়া তার মন মত মানুষ হত্যা করেছে। ক্ষমতায় তার ওপরে যে যাওয়ার চেষ্টা করেছে তাকেই সে হত্যা করেছে। এমনকি অনেক মুক্তিযোদ্ধা এবং বীর বিক্রমকে তার আদেশে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

১৯৭৫ সালের নভেম্বরে দেশে ঘটে যাওয়া নানাবিধ ঘটনার প্রতীয়মান সাক্ষী হিসেবে ধারা বর্ণনা করেন, সে সময়ে দেশে সামরিক বাহিনীতে কর্মরত মেজর জেনারেল, পিপিআর ও মুক্তিযোদ্ধারা।

আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাশেক রহমান, মেহজাবিন খালেদ, অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাব, সাংবাদিক ও সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান প্রমুখ।