ব্রেকিং:
ফেসবুকে অবমাননাকর পোস্ট: সেই পরিতোষ সরকার গ্রেফতার সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তৎপরতা প্রতিরোধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • বুধবার   ২০ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৫ ১৪২৮

  • || ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

আজকের খুলনা

এক দশক পর চেয়ারম্যান হালিম গাজী হত্যা মামলার বিচার শুরু হচ্ছে

আজকের খুলনা

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১  

দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম গাজী হত্যা মামলার পিবিআইয়ের দাখিলকৃত চার্জশিট আমলে নিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আদালত আগামী ২৫ অক্টোবর মামলার চার্জ গঠনের দিন ধার্য করে এ মামলার বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে প্রেরণ করেছেন। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান এ নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মেহেদী হাসান।

আদালত সূত্র জানায়, গেল বছরের ২৩ আগস্ট মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের পরিদর্শক শেখ আবু বক্কর ৩০ জনকে আসামি করে আদালতে একটি সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গতকাল চার্জশিট শুনানিকালে মামলার বাদী ও সাবেক চেয়ারম্যান পত্নী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। শুনানির পর তিনি আদালতে কোন আপত্তি জানাননি।

 

সম্পূরক চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, গাজী মোঃ ইমরান হাসান ওরফে মনিরুল, মোল্লা জুলকার নাইম ওরফে মারজান আহমেদ ওরফে মুন্না, মেঃ ইসতিয়াক হোসেন ওরফে ইস্তি, মোঃ শাকিল হোসেন রানা, জাহিদ হাওলাদার, তাইজুল ইসলাম ওরফে রাজু, মারুফ হোসেন শেখ, সেলিম মল্লিক, গাজী রেজাউল ইসলাম ওরফে বাবু গাজী , গাজী এনামুল হাসান ওরফে মাসুম, নুরুল ইসলাম গাজী ওরফে নুরু গাজী, শাহীন শেখ, গাজী মোঃ ইমরান হোসেন, গাজী মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মানিক মোল্লা, আনিসুর রহমান, মুরাদ ওরফে গালকাটা মুরাদ, মাসুদ সরদার, মাসুদ, দিদার মোল্লা, তরিকুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, শেখ মনিরুল ইসলাম, মুরাদ, আব্দুল রকিব মল্লিক, মোঃ মনিরুল, আজগর গাজী, শহিদুল ইসলাম শাহীন, মোল্লা আকরাম হোসেন ওরফে আকরাম মোল্লা ও শাওনুল ইসলাম শাওন।

 

চার্জশিটভুক্ত আসামির মধ্যে ২৬ জন জামিনে এবং চার জন পলাতক রয়েছে। অভিযোগপত্রে মোট ৭৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর দুপুর তিনটায় সেনহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম উপজেলা পরিষদ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে গোয়ালপাড়া নামক স্থানে সন্ত্রাসীরা তার ওপর গুলি বর্ষণ করে। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই বছরের ২ নভেম্বের রাত ২ টায় তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

 

এ ঘটনায় ৩১ অক্টোবর হালিম গাজীর স্ত্রী ফারহানা হালিম তার স্বামীর ওপর হামলার ঘটনায় দিঘলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২৩ নভেম্বর তিনি ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি সম্পূরক অভিযোগ দাখিল করেন। এছাড়াও ২০১২ সালের ২ জানুয়ারি আসামি আনিসুর রহমান ও অপর একজনের বিরুদ্ধে আদালতে দ্বিতীয় দফায় সম্পূরক এজাহার দাখিল করেন। এ মামলার আসামি শাকিল হোসেন রানা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। পরে ইসতিয়াক হোসেন ওরফে ইস্তিও আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

চাঞ্চল্যকর এ মামলার প্রথম দফা চার্জশিট দাখিল করেন দিঘলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলী নওয়াজ। দ্বিতীয় দফা চার্জশিট দাখিল করেন খুলনার সিআইডি এসআই (নি.) এস এম হাবিবুল্লাহ, তৃতীয় দফা চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক (নি.) মিঠু রানী দাস, চতুর্থ দফা চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক (নি.) শেখ শাহাজাহান, পঞ্চম দফা চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি খুলনা মেট্রো’র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহাদাৎ হোসেন এবং ৬ষ্ঠ দফা চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি বাগেরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মতিয়ার রহমান।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা