ব্রেকিং:
করোনায় ৪ মাস পর সর্বনিম্ন মৃত্যু, শনাক্ত এক হাজার ৫৫৫ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী প্রতি মাসে ২ কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিদেশেও দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করছে বিএনপি : কাদের
  • সোমবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৫ ১৪২৮

  • || ১৩ সফর ১৪৪৩

আজকের খুলনা

তেরখাদার নদীর ওপর প্রথম ভ্রাম্যমাণ ড্রাম সেতু

আজকের খুলনা

প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯  

প্রথম ভ্রাম্যমাণ ড্রামের সেতুতে সুবিধা পাচ্ছে খুলনা জেলার দু’টি উপজেলার হাজারো মানুষ। সম্পূর্ণ টোল ফ্রিতে আঠারো বেঁকি নদীর ওপর যাতায়াত করছে জেলার রূপসা ও তেরখাদা উপজেলাবাসী। যার ফলে দৈনন্দিন কাজে সাধারণ মানুষের নৌকা পারাপারের ঝামেলা কমেছে। এ ড্রাম সেতুটি এখন খুলনার আশেপাশের মানুষের দর্শনীয় স্থান হিসেবেও রূপ নিয়েছে। ছুটির দিনসহ প্রতিদিন বিকেলেই ড্রামের তৈরি সেতু দেখতে ভিড় করছে দর্শনার্থীরা।

শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে আঠারো বেঁকি নদীর ওপর অবস্থিত খুলনার একমাত্র এবং প্রথম ড্রামের সেতু। এর পশ্চিম পাশে তেরখাদা উপজেলার আজোগড়া ইউনিয়নের শেখপুরা বাজার এবং পূর্বপাশে রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের শিয়ালী বাজার। ড্রামের সেতুকে কেন্দ্র করে এলাকার চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। সেতুকে কেন্দ্র করে অনেক ইজিবাইক চালক আত্মকর্মসংস্থানে নেমেছে। জরুরি রোগী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাসহ দিন মজুররা ড্রামের সেতুর মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা নিচ্ছে।

স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে জানা যায়, গেল সংসদ নির্বাচন চলাকালীন সময়ে আঠার বেঁকি নদীতে নৌকা চলাচল করত। নৌকার স্বল্পতা এবং জরুরি প্রয়োজনে নৌকা মিলত না। পাশাপাশি ছিল টোল। বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী দুই উপজেলার মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে টোল ফ্রি করে দিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে নির্বাচনের পর দুই এলাকার মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে ব্রীজ নির্মাণের বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু অল্প সময়ের প্রস্তুতিতে ব্রীজ নির্মাণ অসম্ভব হওয়ায় তিনি প্লাস্টিকের ড্রামের সেতু নির্মাণ করার বিষয়ে আশ্বাস দেন। যার ফলশ্র“তিতে সাংসদের নিজস্ব তহবিল এবং দুই উপজেলা চেয়ারম্যানসহ এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ড্রামের সেতু নির্মাণ করা হয়। যা চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে চালু করা হয়।

রূপসা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা জানান, এই ভ্রাম্যমাণ ড্রাম সেতুর কারণে দুই উপজেলার মানুষ রাত-দিন বিনা টোলে নদী পার হতে পারছে। সাংসদের ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্লাস্টিকের ড্রাম, কাঠ ও বাঁশ দিয়ে নির্মাণ করা হয় সেতুটি।

তেরখাদা উপজেলা চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম বলেন, সংসদ সদস্যের নির্দেশে তেরখাদা ও রূপসা উপজেলার চেয়ারম্যানের তদারকিতে ভ্রাম্যমাণ সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এতে করে রূপসা, তেরখাদা এবং ফকিরহাটের মানুষ উপকৃত হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুলের শিক্ষার্থী, খেটে খাওয়া দিন মজুরির মানুষগুলো নানাভাবে উপকার হচ্ছে।

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেন, দুই উপজেলার হাজারো মানুষের উপকারের কথা চিন্তা করে আমি ব্যক্তিগতভাবে ভ্রাম্যমাণ ড্রামের সেতু নির্মাণে অর্থায়ন করেছি। বিনা টোলেই সেতুর উপকার পাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।

তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে এই নদীর ওপর দিয়ে ব্রীজ নির্মাণ করার জন্য এলজিইডিকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে ব্রীজ নির্মাণ করারা জন্য আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করব।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা