• মঙ্গলবার   ১৬ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ১ ১৪২৯

  • || ১৯ মুহররম ১৪৪৪

আজকের খুলনা

ঈদের আগে খুলনায় মসলার বাজার চড়া

আজকের খুলনা

প্রকাশিত: ৪ জুলাই ২০২২  

মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। বাকী আছে আর ৬ দিন। এরমধ্যে খুলনায় গরম হয়ে উঠছে গরম মসলার বাজার। প্রতিটি পণ্যে দাম বেড়েছে ২০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন ডলারের বিপরীতে দেশী টাকার মান কমে যাওয়া।

খুলনার কয়েকটি বাজার ঘুরে জানা গেছে, প্রতিকেজি জিরা ৪৫০ টাকায় বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। একইভাবে লবঙ্গ ১ হাজার ৩০০ টাকা, মানভেদে এলাচ ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা, কাজু বাদাম ৯০০ টাকা, পেস্তা বাদাম ২ হাজার ৫০০ টাকা, গোল মরিচ ৮০০ টাকা ও কিছমিছ ৪০০ টাকায় বিক্রি করছেন। অথচ ১৫ দিন আগে একই পণ্য প্রতিকেজি জিরা ৪২০ টাকায় বিক্রি করেছেন ব্যবসায়ীরা।

অনুরুপভাবে লবঙ্গ ১ হাজার ১০০ টাকা, এলাচ মানভেদে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা, কাজু বাদাম ৮০০ টাকা, পেস্তাবাদাম ২ হাজার টাকা, গোল মরিচ ৬০০ টাকা ও কিছমিছ ৩০০ টাকায় বিক্রি করেছেন ব্যবসায়ীরা।

নগরের বড় বাজারের ব্যবসায়ী শেখ তানভীর হোসেন বলেন, গরম মসলার সকল পণ্য দেশের বাইরে থেকে আমদানী করতে হয়। রোজার ঈদের পর থেকেই এর বাজার চড়া হতে শুরু করেছে। এরপর ডলারের বিপরীতে দেশীয় টাকার মান কমে যাওয়ায় মসলার দাম বেড়েছে।

কথা হয় একই বাজারের ব্যবসায়ী বলরাম কুন্ডুর সাথে। তিনি বলেন, মসলার দাম বৃদ্ধির পেছনে অন্তর্জাতিক একটা ইস্যু রয়েছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধের প্রভাবে জাহাজের বুকিং কমে যাওয়ায় পণ্যের আমদানী কমে গেছে। বেশী দাম দিয়ে পণ্য কিনতে হচ্ছে। চিটাগাং এর আমদানীকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এ সকল পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের এ দরে কিনে এ দরে বিক্রি করতে হয়।

বড় বাজারের ব্যবসায়ী মো: আব্দুল জলিল বলেন, গরম মসলার দাম বেড়েছে। তবে ঈদের আগে আরও এক দফা বাড়তে পারে বলে তিনি মনে করেন।

রূপসা কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী নান্টু বলেন, তেল, চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। আর কোরবানীর ঈদ আসলেই বেড়ে যায় মসলার দাম।

রূপসা কাঁচা বাজারের কথা হয় বেসরকারি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, দাম বাড়েনি এমন একটা জিনিসও বাজারে নেই। আপনিই বলুন সব কিছুই কি বিদেশ থেকে আসে? তাহলে কেন বাড়বে দাম? এসব যাদের দেখার তারা কোথায়?

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে বেসরকারি এই চাকরিজীবী যখন ক্ষোভের কথা বলছিলেন, তখন পাশে দাঁড়ানো আরেকজন বললেন, কোনো মনিটরিং কাজে আসবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা মানুষ হিসেবে ভালো না হবো। ভালো হলে কোথাও তেল নেই, তারমধ্যেও লাখ লাখ লিটার তেল উদ্ধার করা লাগতো না।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা