আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
খুলনায় শিশু আফসানাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২ জনের ফাঁসির আদেশ পূজা মণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে তিন লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুলিস্তান মহানগর নাট্যমঞ্চের পুকুর থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ডেঙ্গুর স্থায়ী সমাধানে ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: সাঈদ খোকন প্রতিটি বিভাগীয় শহরে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর বাগমারার মা-ছেলেকে গলা কেটে হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি ৪ জনকে যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৩ ১৪২৬   ১৯ মুহররম ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
রোহিঙ্গাদের এনআইডি প্রদানে সহায়তাকারী তিনজন রিমান্ডে ঈশ্বরগঞ্জে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত, স্বামী আটক কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় ২ স্কুলছাত্র নিহত রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ২ জনকে গুলি করে হত্যা গাজীপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১১ মামলার আসামি নিহত
৪৩

হাইকোর্টেও জামিন পাননি দুদকের বরখাস্ত পরিচালক বাছির

ঢাকা অফিস

প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

৪০ লাখ টাকা ঘুষ কেলেঙ্কারি মামলার আসামি সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে জামিন দেননি হাইকোর্ট।

আজ বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন আবেদনটি ফেরত দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

ঘুষ লেনদেনের মামলায় ২৩ জুলাই এনামুল বাছিরের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। একইসঙ্গে জেল কোড অনুযায়ী তাকে ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ দেন আদালত। পরে জামিন চেয়ে বাছির গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আবেদন জানান। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বাছিরের আইনজীবী এমএম জামাল হোসেন এ আবেদন জমা দেন। ২২ জুলাই রাতে তাকে মিরপুরে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেফতার করে দুদক।

৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় বাছিরসহ পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৭ জুলাই মামলা করে দুদক। ফরেনসিক পরীক্ষায় ঘুষ লেনদেন নিয়ে তাদের কথোপকথনের অডিওর সত্যতা পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুদক পরিচালক এনামুল বাছির ঘুষগ্রহণ করেছেন, এটি অডিও রেকর্ডে প্রমাণ আছে। অন্যদিকে ডিআইজি মিজান নিজেই ঘুষ দেয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন। দুদক মনে করছে, এর মাধ্যমে মিজান নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিজেই প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দুজনই ঘুষ লেনদেনে জড়িয়েছেন, যা দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬৫(১), ১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) (ক্ষমতার অপব্যবহার) ধারায় অজামিন ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

সূত্র আরও জানায়, দুজনের বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনা অনুসন্ধান করে দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লার নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিম। ১৫ দিন কাজ করে প্রতিবেদন জমা দেয় ওই টিম।

দুদকের মামলার এজাহারের তথ্য অনুসারে, ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয় এনামুল বাছিরকে। ওই অনুসন্ধান চলমান অবস্থায় ৯ জুন ডিআইজি মিজান ওই অনুসন্ধান থেকে বাঁচতে এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর আসে। এর পর পরই দুদকের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে খন্দকার এনামুল বাছিরের বক্তব্য গ্রহণ করে এবং পারিপার্শ্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে ঘুষ নেয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পায়।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর