আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
বাঁশে ঝুলিয়ে যুবককে নির্যাতন, সালাম মেম্বারসহ আটক ৫ আলহাজ্ব টেক্সটাইলের পরিচালককে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা রাজধানীতে র‌্যাবের অভিযানে এক জঙ্গি আটক অর্থ আত্মসাত: রাজশাহী শিল্পকলার সাবেক নৃত্য প্রশিক্ষক গ্রেপ্তার পরিবহণ শ্রমিকদের কাজে ফেরার নির্দেশ শাজাহান খানের শনিবার সমাবেশের ঘোষণা জাবি আন্দোলনকারীদের খুলনায় ঘের ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় ৩ জন আটক জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ঢাকায় আসছেন আগামীকাল মাদারীপুর আদালতে জামিন পেলেন শামসুজ্জামান দুদু আফগানিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
শনিবার আত্মসমর্পণ করবে কক্সবাজারের শতাধিক জলদস্যু গাঙ্গুলির নিমন্ত্রণে কলকাতা পৌঁছেছেন সাবেক ক্রিকেটাররা খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন স্কুলের মানববন্ধন ডিআইজি পার্থ’র মামলার প্রতিবেদন ২৮ জানুয়ারি শিক্ষা অধিদপ্তরের ঠিকাদারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা খুলনায় নৌ অঞ্চলে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত নওগাঁয় ইজিবাইক চালক হত্যা মামলার ৫ আসামি গ্রেফতার খুলনায় দুর্নীতি বিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
৪০

স্কুলের একমাত্র ছাত্রের জন্য আজও অবসরে যাননি শিক্ষিকা

ইত্যাদি ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের মৃতপ্রায় একটি গ্রাম সিবিলিয়াকোভো। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত অর্থনীতি ধসে পড়লে বন্ধ হয়ে যায় এ গ্রামের সরকার পরিচালিত সমবায় খামারটি। সে সময় রাশিয়া জুড়ে হাজার হাজার গ্রামের মতো জনশূন্য হয়ে পড়তে থাকে সংখ্যালঘু তাতার জাতিগোষ্ঠীর এ গ্রামটিও। 

রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১৯৭০ সালের দিকে সিবিলিয়াকোভোর জনসংখ্যা ছিল ৫৫০ জন। এখন তা কমতে কমতে এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৯ জনে। সে সময় গ্রামের প্রাইমারি স্কুলটি ছাত্রছাত্রীতে পরিপূর্ণ থাকলেও এখন এ স্কুলের একমাত্র ছাত্র ৯ বছর বয়সী রাভিল ইজমুখামেতভ। 

৪২ বছর ধরে এ স্কুলেই শিক্ষকতা করছেন উমিনুর কুচকোভা। বর্তমানে তার বয়স ৬১। অনেক আগেই অবসর নিয়ে শহরে স্বামীর সঙ্গে বসবাসের কথা থাকলেও, একমাত্র ছাত্র ইজমুখামেতভের কথা ভেবে এখনও গ্রামেই পড়ে রয়েছেন তিনি। ইজমুখামেতভ এ স্কুলের পাঠ চুকিয়ে আরও পড়াশোনার উদ্দেশ্যে দূরের স্কুলে যাওয়া শুরু করলে তবেই তার ছুটি মিলবে। আর এর জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুকাল। 

এ বয়সেও কেবলমাত্র একজন ছাত্রের জন্য গ্রামে থেকে যাওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে এ শিক্ষিকা জানান, ইজমুখামেতভের জন্যে বেশ খারাপ লাগে তার। ছেলের পড়াশোনার জন্য এখনই গ্রাম ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে চান না ওর বাবা-মা। অন্যদিকে গ্রাম থেকে একা একা ওর মতো ছোট্ট ছেলের জন্য ইরতিশ নদীর বড় বড় ঢেউ পাড়ি দিয়ে দূরের স্কুলে যাওয়াও সহজ নয়। এসব ভেবেই তাকে থেকে যেতে হয়েছে বলে জানান তিনি। 

তবে আর বেশিদিন নেই, বন্ধ হয়ে যাবে এ স্কুল। এখানকার পাঠ চুকিয়ে অন্য স্কুলে পাড়ি দেবে ছোট্টো ইজমুখামেতভ। চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে এ স্কুল। সেই সঙ্গে বিদায় নেবেন শিক্ষিকা উমিনুর কুচকোভা।   সুদীর্ঘ কর্মজীবনের কথা ভেবে মন খারাপ হয় তার। 

বন্ধুবান্ধবহীন একা স্কুলে যেতে কেমন লাগে জানতে চাইলে বেশ অবাক হয় ইজমুখামেতভ। বলে, অভিজ্ঞতা না থাকায় তুলনা করে বলতে পারবো না, তবে অন্য স্কুলে গেলে আমি অবশ্যই চাইবো আমার বন্ধু থাকুক। 

ইজমুখামেতভের বাবা-মা কৃষিকাজ ও পশুপালন করেন। তারা চান একদিন তাদের ছেলে বড় হয়ে শহরের স্কুলে পড়ুক। এ অঞ্চলের বাচ্চাদের শহরের স্কুলে পড়ার সুযোগ পেতে জন্মের পর থেকে অপেক্ষা করে থাকতে হয়। 

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর