আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
উত্তরবঙ্গের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে ব্রাহ্মনবাড়িয়া ও সিরাজগঞ্জে ট্রেন দূর্ঘটনায় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দু:খ প্রকাশ, পেছনে কোনো দূরভিসন্ধি আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে প্রতিটি উপজেলায় ১০ জন করে চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে : সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২২ নভেম্বর খুলে দেয়া হচ্ছে কুয়েট এর সকল হল, তবে সভা সমাবেশ মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা পদোন্নতি পেয়ে ইন্সপেক্টর হলেন ৩৩৭ এসআই রংপুর এক্সপ্রেসে সামান্য আগুন, ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি: রেল সচিব ৪৪ বছরে নৌ-দুর্ঘটনায় ৪৭১১ জনের প্রাণহানি : সংসদে তথ্য প্রকাশ গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ জনের

শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
৬৫০ বিচারকের পদোন্নতির প্যানেল অনুমোদন আয়কর মেলার প্রথমদিনে সারাদেশে আদায় ৩২৩ কোটি টাকা নতুন ডাক্তারদের প্রথম কর্মস্থলে ২ বছর থাকতে হবে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী এবার প্রাথমিক সমাপনীতে অংশ নিচ্ছে ২৯ লাখ শিক্ষার্থী আইনি মতামত নিয়ে শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন : সচিব
৭৮

সাতক্ষীরায় আতঙ্কে উপকূলের মানুষ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : প্রকাশিত ১২:৫৬ পিএম

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০১৯  

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত জারি করা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকার মানুষদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। তবে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে চাইছে না মানুষ।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে জেলার উপকূলবর্তী নদীগুলোতে পানি বাড়ছে। একই সঙ্গে নদী উত্তাল রয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে উপকূলবর্তী এলাকার নদীর বাঁধের কিছু কিছু স্থান।

উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ক কর্মকর্তা (পিআইও) শাহিনুর ইসলাম বলেন, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়ন দুটি অধিক ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া বুড়িগোয়ালিনী, আটুলিয়া, কৈখালী ও মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নও ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা এসব এলাকার মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে চায় না। তারা বাড়িতেই থাকতে চায়। কেউ কেউ তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে চলে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সকাল ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে লোকজনদের বুঝিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে।

শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় নীলডুমুর ঘাট এলাকার ইমরান হোসেন জানান, মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে চাইছে না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পুলিশ অনুরোধ করেও কাউকে নিতে পারছে না। রমজাননগর এলাকায় বেশ কিছু মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম কামরুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, আমি সকাল থেকেই উপকূলীয় গাবুরা ইউনিয়নের এলাকায় রয়েছি। এখানকার মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বলা হচ্ছে, বোঝানো হচ্ছে। মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছে।

অন্যদিকে আশাশুনি উপজেলার উপকূলীয় শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল বলেন, আমার এলাকার খোলপেটুয়া নদীর তিনটি স্থান বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে। আগে অনেক বার পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বলা হয়েছিল তারা মেরামত করেনি। এখন পর্যন্ত এলাকার ৫শ মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের মাঝে চিড়া-গুড় ও শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ১২শ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকার অন্তত ৩০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর