আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
শিক্ষার মান ঠিক না রাখলে এমপিওভুক্তি থেকে বাদ দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী আবরারের রুমমেট মিজান পাঁচ দিনের রিমান্ডে ফিটনেস নবায়নহীন যানবাহনে তেল-গ্যাস না দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের বিমানের আধুনিকীকরণে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী দুই মাসে ফিটনেস নবায়ন করেছে ৮৯ হাজার ২৬৯টি গাড়ি

বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
হত্যা মামলায় ক্যাসিনো খালেদ ৭ দিনের রিমান্ডে উল্লাপাড়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত ৮ খিলগাঁওয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রিকশাচালকের মৃত্যু তালায় মৎস্য ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার বৃহস্পতিবার আজারবাইজান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
১৭

সাংবাদিক পরিচয়ে চলছে মানবপাচার

ঢাকা অফিস

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০১৯  

সীমান্ত পথে তো আছেই এমনকি আকাশ পথেও নিত্য নতুন পরিচয়ে চলছে মানবপাচার। এরমধ্যে সংগীতশিল্পী, কবি, সমাজকর্মী, পরিচয়গুলোর পাশে এখন সাংবাদিক পরিচয়েও টুরিস্ট ভিসায় চলছে মানবপাচার। মূলত দেশের বিমানবন্দর পার করে দিতেই ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতেই পাচারের শিকার ব্যক্তিদের এমন পরিচয় দেওয়ার কথা বলে পাচারকারীরা।

যদিও সংবাদপত্রের সঙ্গে ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা কখনোই থাকে না। আর এ কাজে কিছু ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে ‘আন্ডারগ্রাউন্ডের’ কিছু পত্রিকার সাংবাদিকও জড়িত। বিমানবন্দর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। 

গত ৮ অক্টোবর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিক পরিচয়ে ইস্তানবুল হয়ে গ্রিসে পাচারের সময় দুজনকে আটক করে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) সদস্যরা। আটক দুজনের নাম মো. দুলাল খান ও মো. শাহাদাত হোসেন। তাদের কাছে পাওয়া যায় ‘দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি’ নামের একটি সংবাদপত্রের পরিচয়পত্র। বিমানবন্দরে গোয়েন্দা নজরদারি এড়াতে মূলধারার বাইরের এই পত্রিকাটির সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতে গিয়েই উল্টো গোয়েন্দাদের নজরে পড়ে তারা।

বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বলেন, নানা কৌশলে মানবপাচার হয়ে থাকে। পাচারকারীরা নানা সময়ে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে। দেখা গেছে, কখনও সংগীতশিল্পী, কখনও কবি, সাংবাদিকসহ নানা পরিচয়ে পাচারের কৌশল নেয় পাচারকারীরা। তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, ভ্রমণসহ নানা কারণ দেখিয়ে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে যায়। আর ফিরে আসে না।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ৮ অক্টোবর মো. দুলাল খান ও মো. শাহাদাত হোসেনকে ডিপারচার চেক ইন কাউন্টার থেকে আটক করে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) সংস্থা। পরবর্তীতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আইন শৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজন স্বীকার করেন, ভিজিট ভিসায় তারা বাংলাদেশ থেকে ইস্তানবুল যাচ্ছেন, পরে সেখান থেকে গ্রিসে যাবেন। দুজনেরই গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলায়। জিজ্ঞাসাবাদে মো. শাহদাত হোসেন জানান, গ্রিসে যাওয়ার জন্য আ. রহিম নামের এক দালালের সঙ্গে ১০ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছে তার। প্রথমে দালাল রহিমকে সাড়ে তিন লাখ টাকা দেন তিনি। এরপর আবার সাড়ে তিন লাখ টাকা দালাল রহিমকে দেন শাহাদাত। তখন দালাল রহিম তাকে এমএম ওহি ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস এর মালিক ওসমানের কাছে নিয়ে যান। ওসমান তাকে নয়া পল্টনে দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি পত্রিকার নয়া পল্টনের ৮৫/১ ভবনের ৫ম তলার অফিসে নিয়ে যান।

শাহাদাতের বর্ণনা অনুযায়ী, পত্রিকাটির সম্পাদক এমজি কিবরিয়া চৌধুরী তাকে দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি পত্রিকার অফিস অ্যাসিন্ট্যান্ট এর আইডি কার্ড ও ভিজিটিং কার্ড বানিয়ে দেয়।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর