আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
অবৈধ অনুপ্রবেশ : মহেশপুর সীমান্তে আটক ১২ কুমিল্লার বরুড়ায় ১৪৪ ধারা জারি রাজধানীতে বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে বাগদাদে বিক্ষোভে অস্ত্রধারীদের হামলায় পুলিশসহ নিহত ১৯ মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ১, নিখোঁজ ১৫ বরিশালের নারীসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৬   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, আটক ২ মেহেরপুরে ৮ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক
২৬৫৮

শীত মৌসুমের শুরুতেই পর্যটকে মুখরিত সুন্দরবন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  

পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই দেশী-বিদেশী পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে সুন্দরবন। পৃথিবীর বৃহত্তম এ ম্যানগ্রোভ বনের সব স্পটেই পর্যটকদের পদচারণা বেড়েছে। দেশী-বিদেশী পর্যটকদের ভিড় সামলাতে ব্যবসায়ী ও বন বিভাগের সদস্যদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। পর্যটকদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার জন্য নদীতে নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের টহল বাড়ানো হয়েছে। দূরত্বের দিক দিয়ে মংলা বন্দর থেকে নদীপথে সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে করমজল পর্যটনকেন্দ্র। সুন্দরবনের বিভিন্ন পর্যটন স্পটের মধ্যে করমজলকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হরিণ ও বানরের বিচরণস্থল, সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার, কুমির ও কচ্ছপের প্রজনন কেন্দ্র দেখতে সবসময়ই পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে। করমজল ছাড়াও হাড়বাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, কটকা, কচিখালী ও দুবলারচর সুন্দরবনের অন্যতম প্রসিদ্ধ পর্যটন স্পট। তবে সুন্দরবনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাধারণত অক্টোবরের মধ্যভাগ থেকে পরবর্তী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কে সুন্দরবনে পর্যটন মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শীতের শুরু থেকেই সুন্দরবনে নতুন করে পর্যটক আসতে শুরু করেন। শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় সুন্দরবনে সবচেয়ে বেশি পর্যটকের আগমন ঘটে। দেশী-বিদেশী উভয় ধরনের পর্যটকই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে সুন্দরবনে আসছেন।
এর মধ্যে করমজল ও হাড়বাড়িয়ায় আসা পর্যটকদের অধিকাংশই দেশী। তবে গহিন সুন্দরবন বলে খ্যাত হিরণ পয়েন্ট, কটকা, কচিখালী ও দুবলারচরে ভ্রমণকারী পর্যটকদের বড় অংশই বিদেশী। এসব পর্যটকের ভিড় সামলাতে পর্যটন ব্যবসায়ী ও বন বিভাগের সদস্যদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। 
সুন্দরবন ভ্রমনে আসা ভারতীয় পর্যটক সুমিত বলেন, করমজলে যাতায়াতে বনবিভাগের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা থাকলে ভাল হতো। তার সঙ্গী দক্ষিণ ভারত থেকে আসা সুমন্না বলেন, বনের ভিতরে প্রবেশের জন্য কাঠের যে ‘ওয়াকওয়ে’ করা হয়েছে সেটি সংস্কারসহ আরও সুন্দও করা দরকার। যাতে পর্যটকরা নির্বিঘ্নে এবং নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে। তাদের সাথে থাকা মুক্তি কুমার দাসও সহমত পোষণ করেন। 
করমজল পর্যটনকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা বন বিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জার আজাদ কবির বলেন, করমজল পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন অনেকাংশে বেড়েছে। এছাড়া বনের হাড়বাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, কটকা, কচিখালী, দুবলাচরসহ বিভিন্ন স্পটেও প্রচুর দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে। বন বিভাগের কর্মীস্বল্পতায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। মংলার পর্যটন ব্যবসায়ী আবু হোসাইন সুমন বলেন, পর্যটন মৌসুম ও সরকারি ছুটি উপলক্ষে বর্তমানে পর্যটকদের আগমন খুব বেশি। আমরা চাই, সারা বছর ধরেই যেন এ অবস্থা বিরাজমান থাকে।
এদিকে সুন্দরবনে আসা পর্যটকদের জন্য নিরাপত্তা জোরদারে নদীতে নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের টহল বাড়ানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মংলা থানা সূত্র জানায়, মৌসুম উপলক্ষে সুন্দরবনে আগত দেশী-বিদেশী দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য নদীতে নৌ-পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া দুটি নিরাপত্তা চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। বিদেশীরা এলে তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়ার জন্য সঙ্গে পুলিশ দেয়া হচ্ছে। যারা আসছেন তারা ভালোভাবেই ভ্রমণ শেষে ফিরে যাচ্ছেন।
 

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর