আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
ক্ষমা চাইলেন দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক উত্তর বাড্ডার ফোম কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে বঙ্গবন্ধু বিপিএল :১৮১ রানের লক্ষ্যে ব্যাটে নেমে ৩৬ রানেই ২ উকেটের পতন কুমিল্লার. (৩.১ ওভার) চাঁদাবাজ-ভূমিদস্যূ হাসু কাসু বাহিনীর মূল হোতা হাসেমকে অস্ত্র-ইয়াবাসহ আটক করেছে র‌্যাব যুক্তরাজ্যে নির্বাচন : জয় পেলেন বঙ্গবন্ধুর নাতনি টিউলিপ, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুপা, রুশনারা ও আফসানা বরিশালে পাঁচ বস্তা গাঁজাসহ নারী আটক কক্সবাজারে ৮ লাখ ইয়াবা ও ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ৪

শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
সিলেটে বিএনপির ৫৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা টেকনাফে ৮ লাখ ইয়াবা-অস্ত্রসহ ৪ ব্যবসায়ী আটক কুমিল্লার কোটবাড়ীতে স্কুলের ছাত্রাবাস থেকে এক ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার নোয়াখালীতে বাসচাপায় এক মাদ্রাসা ছাত্রী নিহত ধামরাইয়ে প্রাইভেট কার চাপায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নতুন ৯ বিচারপতির শ্রদ্ধা পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি এবার মেঘালয়ে কারফিউ, বন্ধ মোবাইল-ইন্টারনেট রোহিঙ্গা গণহত্যা ইস্যুতে সিদ্ধান্ত শিগগিরই : আইসিজে প্রেসিডেন্ট
১৪

লম্বা গলার সাপপাখি

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর ২০১৯  

সাপের ফণার মতো লম্বা সরু গলা-মাথা দোলানো পাখিটির নাম সাপপাখি। এদের গয়ারও বলা হয়। ইংরেজি নাম স্নেক-বার্ড। বৈজ্ঞানিক নাম Anhinga melanogaster। ইংরেজি আরেকটি নাম Darter।  পাখিটির ঠোঁটের আগা থেকে পিঠ হয়ে লেজের ডগা পর্যন্ত মাপ ৯৮ সেন্টিমিটার (পুরুষ), ৯২ সেন্টিমিটার (মেয়ে)।

শুধু গলা-ঠোঁটের মাপ হচ্ছে পুরো শরীরের এক তৃতীয়াংশ। এদের সঙ্গে পানকৌড়ির মিল অনেক। পানির নিচে এরা এ নাগাড়ে থাকতে পারে মিনিট তিনেক। অসাধারণ কৌশলে মাছ ধরে খায়। পানির নিচ দিয়ে যখন চলে তখন গোটা শরীর সাপের মতো মনে হয়। গতিও থাকে টর্নেডোর মতো। সাপপাখির গলা সরু, গোলাকার ও লম্বা, মাথা ছোট। ঠোঁট ছোট ও চোখা। ঠোঁট ও পা হলুদ। আঙুল চারটি, অনেকটা হাঁসের পায়ের মতো। মাথা-ঘাড়-গলা লালচে-বাদামি। সাদা খাঁড়া একটা টানও আছে। পাখার মূল পালক কালো। উজ্জ্বল-বাদামি চোখ। খুব বেশি রঙচঙা না হলেও দেখতে সুন্দর। সাপের মতো ছোবল দিয়ে ক্ষিপ্র গতিতে এরা মাছ ধরে। দক্ষ ডুবুরি, উড়তেও পটু। 

এরা পানির পাখি। খায় ছোট-মাঝারি মাছ, ছোট ব্যাঙ, ছোট শামুক, জলফড়িং ও জলজ উদ্ভিদের নরম ডগা। সুযোগ পেলে ঢোঁড়া সাপের বাচ্চাও খায়।

শ্রাবণ থেকে অগ্রহায়ণের মধ্যে এরা বাসা বাঁধে। দুজন মিলে বাসায় বানায় খড়কুটো, শুকনো-কাঁচা ডাল দিয়ে। বাসা বেশ অগোছালো। ডিম পাড়ে ৩ থেকে ৬টি। ডিম চুরি হলে বা অন্যরা খেয়ে ফেললে ২০-২৫ দিন পর আবার ডিম পাড়ে। ডিমের রং ঘোলাটে সাদা, তাতে নীলচে আভা। ডিম ফোটে ২৬ দিনে। বাচ্চাদের লোম ১২ দিনের মধ্যে গজিয়ে যায়। উড়তে শেখে ৪৫ দিনে। বাংলাদেশে এদের এখন দেখা যায় না বললেই চলে।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর