• সোমবার   ১৩ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪২৭

  • || ২২ জ্বিলকদ ১৪৪১

আজকের খুলনা
১৫৯

রাজধানীতে জোড়া খুনের ঘটনায় গৃহকর্মী সুরভীসহ ৫ জন রিমান্ডে

আজকের খুলনা

প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০১৯  

রাজধানীর ধানমণ্ডির জোড়া খুনের হত্যা মামলায় গৃহকর্মী মোছা. সুরভী আক্তার নাহিদাসহ সন্ধিগ্ধ পাঁচজনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া শুনানি শেষে এ রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. রবিউল আলম আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের এ রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ডে যাওয়া অপর আসমিরা হলেন- মো. বেলায়েত হোসেন, গাউসুল আযম প্রিন্স, নুরুজ্জামান ও মো. বাচ্চু।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা খুনসহ লুণ্ঠন সংক্রান্তে সন্তোষজনক জবাব দেননি। তাই তাদের এ মামলায় গ্রেফতার করা হয়। জোড়া খুনের সাথে আসামিরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত মর্মে মামলার তদন্তে, সাক্ষ্য, প্রমাণসহ তথ্য-প্রযুক্তিগত প্রমাণাদি পাওয়া যাচ্ছে। এই জোড়া খুনসহ লুণ্ঠন কার নির্দেশে, প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহায়তায় ও মদদে আসামিরা এ ঘটনা সংগঠিত করেছে তাদের শনাক্ত এবং গ্রেফতারসহ মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

মামলায় বলা হয়েছে, ধানমণ্ডির ২৮ নম্বর রোডের বাসায় গত ১ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় পুরনো কাজের লোক আতিকুল হক বাচ্চু একজন নতুন কাজের মেয়েকে নিয়ে আফরোজা বেগমের মেয়ে অ্যাডভোকেট দিলরুবা সুলতানা রুবির ফ্ল্যাটে আসেন। এরপর তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। আফরোজা বেগম এবং তার মেয়ে অ্যাডভোকেট দিলরুবা সুলতানা রুবি পাশাপাশি বসবাস করেন। বিকেল সাড়ে ৪ থেকে ৫টার মধ্যে দিলরুবা ওই কাজের মেয়েকে তার মায়ের ফ্ল্যাটে কাজের জন্য পাঠান। পরবর্তীতে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দিলরুবা তার মাকে ফোন দিলে তার মা ফোন রিসিভ করেননি।

এজন্য দিলরুবা তার বাসার কাজের ছেলে রিয়াজকে মায়ের ফ্ল্যাটে পাঠান। রিয়াজ সেখানে গিয়ে কলিং বেল দেন এবং ডাকাডাকি করে কোন শব্দ না পেয়ে দরজা ধাক্কা দিলে তা খোলা পান। রিয়াজ আফরোজা বেগমকে ডাইনিং রুমের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে দৌড়ে এসে দিলরুবাকে জানান। দিলরুবা দৌড়ে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে দেখতে পান, ডাইনিং রুমের মেঝেতে আফরোজা বেগম পড়ে আছেন এবং পাশের গেস্ট রুমে পুরনো কাজের মেয়ে দিতির রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে আছে। 

দিলরুবা তার স্বামীকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে তার স্বামী বাসায় ফিরে বাসার সিকিউরিটি গার্ডদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে সিকিউরিটি গার্ড নুরুজ্জামান জানান, নতুন কাজের মেয়েটি সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ১০ মিনিটের দিকে গেট দিয়ে বের হয়ে চলে গেছেন।

ওই ঘটনায় আফরোজা বেগমের মেয়ে অ্যাডভোকেট দিলরুবা সুলতানা রুবি গত ৩ নভেম্বর ধানমণ্ডি থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
আদালত বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর