আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
সাতটি নতুন থানা ও বিশ্বনাথকে পৌরসভা ঘোষণা করেছে সরকার অর্থ আত্মসাতের মামলায় বিএনপির সাংসদ হারুনসহ ৩ জনের কারাদণ্ড গ্রেফতারের আগে সরকারের অনুমতি নেয়া সংক্রান্ত সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ বিধান নিয়ে হাইকোর্টের রুল আইনজীবীর সহকারী মোবারক হত্যা মামলায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড মেননের বিরুদ্ধে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা : তথ্যমন্ত্রী

সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৬ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
গাজীপুরে কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে বোরহানউদ্দিনে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের মামলা , আসামি ৫ হাজার ঢাকায় আনসার আল ইসলামের ৪ ‘জঙ্গি’ গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে পুলিশের ঘিরে রাখা লাগেজে মিলল এক ব্যক্তির লাশ
৩৪

ভাঙ্গা সেতু নিয়ে দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

বাগেরহাট জেলার শরণখোলায় ভাঙ্গা সেতু নিয়ে দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা।

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সিডরাঘাতে লন্ড-ভণ্ড হয়ে গিয়েছিলো সেতুটি। কয়েক মাস পর এটিকে চলাচলের জন্য কোন রকম উপযোগী করে তোলা হয়। এক দুই বছর পর কাঠের তক্তাগুলো পচে গলে খালে পড়ে যায়। আবারও সেই দুর্ভোগ শুরু হয় মানুষের।

শরণখোলা উপজেলার খুড়িয়াখালী-চালিতাবুনিয়া গ্রামের সংযোগ খালের ওপর এই সেতুটি। সেতুটি অত্যন্ত জনগুরত্বপূর্ণ। অথচ এটি সংস্কার বা মেরামতের জন্য কারো মাথা ব্যথা নেই।

চালিতাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সুন্দরবন ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক হারুন অর রশীদ বলেন, ‘চালিতাবুনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সুন্দরবন দাখিল মাদ্রাসার প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই সেতুটির উপর দিয়া যাতায়াত করে। সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় কোমলমিত শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারছেনা।’

সেতু সংলগ্ন খুড়িয়াখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ‘সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা বেশী সংকটে পড়েছে। তারা স্কুলে যাওয়ার পথে ভাঙ্গা ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। কারো সহযোগীতা না পেলে আবার বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয়।’

সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘প্রতিদিন দুই বার এ ব্রিজটি পার হয়ে আমাদের বিদ্যালয়ে যেতে হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় কয়েক মাস ধরে এটি ভাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে। বইপত্র নিয়ে এ ব্রিজের উপর উঠলে ভয়ে আমাদের শরীর কেঁপে ওঠে। কয়েক দিন আগে ব্রিজের ভাঙ্গা অংশ থেকে পরে গিয়ে দুজন পথচারী আহত হয়। অথচ এবিষয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের।’

খুড়িয়াখালী গ্রামের ইউপি সদস্য মো. বাচ্চু মুন্সি বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ। দুই গ্রামের কয়েকশত মানুষ এ ব্রীজ দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে। এ ব্যাপারে কোন বরাদ্ধ নেই। ব্যক্তিগত ভাবে এ ব্রিজ মেরামত করার সামর্থ্য আমার নেই। সাউথখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে ভাল বলতে পারবেন।’ 

সাউথখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘ব্রিজ ভেঙ্গে গেলে আমি কি করবো? তবুও চেষ্টা করে দেখি কী করা যায়।’ 

জানতে চাইলে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে সাউথখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর