আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
উত্তরবঙ্গের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে ব্রাহ্মনবাড়িয়া ও সিরাজগঞ্জে ট্রেন দূর্ঘটনায় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দু:খ প্রকাশ, পেছনে কোনো দূরভিসন্ধি আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে প্রতিটি উপজেলায় ১০ জন করে চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে : সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২২ নভেম্বর খুলে দেয়া হচ্ছে কুয়েট এর সকল হল, তবে সভা সমাবেশ মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা পদোন্নতি পেয়ে ইন্সপেক্টর হলেন ৩৩৭ এসআই রংপুর এক্সপ্রেসে সামান্য আগুন, ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি: রেল সচিব ৪৪ বছরে নৌ-দুর্ঘটনায় ৪৭১১ জনের প্রাণহানি : সংসদে তথ্য প্রকাশ গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ জনের

শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
৬৫০ বিচারকের পদোন্নতির প্যানেল অনুমোদন আয়কর মেলার প্রথমদিনে সারাদেশে আদায় ৩২৩ কোটি টাকা নতুন ডাক্তারদের প্রথম কর্মস্থলে ২ বছর থাকতে হবে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী এবার প্রাথমিক সমাপনীতে অংশ নিচ্ছে ২৯ লাখ শিক্ষার্থী আইনি মতামত নিয়ে শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন : সচিব
১০৪১

বাচ্চাদের ওরাল থ্রাশ কী এবং কেন হয়?

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০১৯  

ওরাল থ্রাশ বাচ্চাদের জন্য একটি কমন রোগ। বিশেষত নবজাতক শিশুদের মধ্যে এই রোগটা প্রায়শই দেখা যায়। এটিকে অনেকেই ‘দুধ ঘা’ বলে থাকেন। এই রোগটি হলে শিশুর মুখের ভিতর, জিহ্বায় আর ঠোঁটের আশে পাশে সাদা সাদা একটা আবরণের মতো জমে যায়।

দেখে মনে হয় যেন জিহ্বার উপর দুধের সর জমে আছে। এজন্যই মুরুব্বিরা এই রোগটাকে দুধ ঘা বলে থাকেন।

আর নবজাতক থেকে শুরু করে ছয় মাস বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে রোগটি খুবই কমন।

যদিও শিশুদের জন্য এই রোগটি সেরকম মারাত্নক কিছু নয়। তারপরও ছোট শিশুদের জন্য এটি যথেষ্ঠ বিরক্তিকর আর আনকমফোর্টেবল হয়ে যায়। তাই যতটা দ্রুত সম্ভব এই রোগের চিকিৎসা শুরু করে দেয়া উচিত।

বাচ্চাদের ওরাল থ্রাশ হওয়ার কারণ

থ্রাশ বা দুধ ঘায়ের জন্য দায়ী মূলত ক্যানডিডা নামক একটি ছত্রাক। এই ছত্রাক বাচ্চাদের মুখের মধ্যেই থাকে। বাচ্চার শরীরের ইমিউন সিস্টেম ভালো হলে আর মুখের মধ্যে গুড ব্যাক্টেরিয়া থাকলে এ জাতীয় ছত্রাক সাধারণত আক্রমণ করতে পারে না।

কিন্তু কোনো কারণে বাচ্চার ইমিউন সিস্টেম দূর্বল হয়ে গেলে তখন এই ছত্রাক আক্রমণ করে। এছাড়াও কোনো অসুখের কারণে বাচ্চাকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো হলেও এই রোগ হতে পারে। কারণ কিছু কিছু নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক আছে যেগুলো খেলে বাচ্চাদের শরীরের স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে যায়। ফলে বাচ্চার ইমিউন সিস্টেমের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। শুধু তাই নয়। বুকের দুধ খাওয়ান এমন মায়েরাও কিছু কিছু অ্যান্টিবায়োটিক খেলে তা বুকের দুধের মাধ্যমে বাচ্চার শরীরে মিশে বাচ্চার ইমিউন সিস্টেম দূর্বল করে দেয়।

ওরাল থ্রাশ হওয়ার লক্ষণ

শিশুদের মধ্যে ওরাল থ্রাশের বিভিন্ন লক্ষণ দেখা যায়। ছত্রাকের আক্রমণের ভয়াবহতার উপর লক্ষণগুলো কম বেশি নির্ভর করে। তবে সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলো হল-

১. শিশুদের জিহ্ববা, ঠোঁট, গালের ভিতর আর গলার কাছে সাদা সাদা একটা আস্তরণ পড়ে। এই আস্তরণগুলো দেখে মনে হয় যেন একটু ঘন দুধ জিহ্ববার উপর লেগে আছে। গালের ও ঠোঁট এর ভিতর লালচে হয়ে যায়।

হাত দিয়ে ঘষা দিলে এগুলো ওঠে না। বরং ঐ জায়গাটা লাল হয়ে যায়। আর বাচ্চারা অস্বস্তিতে কান্নাকাটি করে।

২. এই সাদা আস্তরণ হাত দিয়ে ঘষে তুলতে গেলে হালকা রক্তপাত হতে পারে।

৩. সাদা সাদা আস্তরণের চারপাশে লালচে দাগ দেখা যাতে পারে। যদি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে মা বাবারা দেরি করে ফেলে তাহলে এই ঘাগুলোতে আস্তে আস্তে ব্যথা বাড়তে পারে।

৪. ঠোঁটের কোণায় ফেটে যেতে পারে। ফলে ছোট ছোট অবুঝ শিশুগুলো ঠিকমত মুখ হা করতে পারে না। আর মুখ খোলার সময় কান্নাকাটি করে।

৫. বাচ্চারা মায়ের বুকের দুধ টানা কমিয়ে দেয়। কখনো কখনো রোগ বেড়ে গেলে একেবারে দুধ টানা বন্ধ করে দেয়।

ওরাল থ্রাশ দূরীকরণে চিকিৎসা

শিশুদের ওরাল থ্রাশ হলে প্রথমত তার সবকিছু খুব যত্নের সাথে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখতে হবে। তার খেলনা থেকে শুরু করে আশেপাশে বিভিন্ন বস্তু যা শিশু মুখে দিতে পারে, খুব ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। সেই সাথে মায়ের দুধের নিপল-ও সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে।

এছাড়াও ওরাল থ্রাশ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়াই ভালো। ডাক্তার সাধারণত একটি অ্যান্টি ফাঙ্গাল ক্রীম দিবেন। নিয়মানুযায়ী এই ক্রীম ব্যবহার করলে সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যেই ওরাল থ্রাশ সেরে যাবে।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা