আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
গানপাউডার ও ককটেলসহ জামায়াত-শিবিরের ১৬ কর্মী আটক চট্টগ্রামের বস্তিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৪টি ইউনিট হবিগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নারীসহ নিহত ৩ টুঙ্গিপাড়া পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুর-৭ এর চলন্তিকা বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, কয়েকশ ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই যশোরে চোর সন্দেহে ভ্যানচালককে পিটিয়ে হত্যা পবিপ্রবিতে র‌্যাগিংয়ের দায়ে ১৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

শুক্রবার   ২৪ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১১ ১৪২৬   ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পারাবত এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন কক্সবাজারে বিজিবির সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১ পাকিস্তানে টি-টোয়েন্টি দিয়ে বাংলাদেশের মাঠের লড়াই শুরু আজ আইসিজের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রত্যাখ্যান করলো মিয়ানমার নারায়নগঞ্জে জাহাজের নিচে চাপা পড়ে শ্রমিক নিহত, নিখোঁজ ১
৭৩৫

ফিরে দেখা :ত্রাণ ও দূর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের সফলতা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৭ জানুয়ারি ২০২০  

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। রুপকল্প ২০২১ এবং একশ’ বছরের ডেল্টা প্লানকে সামনে রেখে দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। উন্নয়নের মহান রুপকার, গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শী চিন্তাধারা ও যুগোপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দেশ থেকে দূর হয়েছে ক্ষুধা-দারিদ্র্য-বেকারত্ব। শিক্ষা, কৃষি, শিল্প, ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ, নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাসহ দেশের প্রতিটি সেক্টরে হয়েছে অভূতপূর্ব উন্নয়ন। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। 

বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিদ্যমান ত্রাণ ও পুনর্বাসন নির্ভর পদ্ধতির পরিবর্তে একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস ও প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। বর্তমান সরকারের সময়ে ১০০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। ২২০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। ভূমিকম্পে উদ্ধার ও অনুসন্ধান কাজে ব্যবহারের জন্য ৩,০৩৫টি বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়েছে। মহাখালীস্থ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবন ৭ তলা হতে ১০ তলা পর্যন্ত উর্ধ্বমুখী স¤প্রসারণ করা হয়েছে। ৩০টি ট্রাক মাউন্টেড স্যালাইন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। কক্সবাজার  জেলার পাহাড়ধসের ঝুঁকি-মানচিত্র প্রণয়ন, বজ্রপাতে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে সারাদেশে ৩১ লক্ষ তাল বীজ রোপন, জাতীয় বিল্ডিং কোডে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণ ও  বজ্রপাত নিরোধক দন্ড স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, গবেষণা ও  প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) এর নতুন ৩৯৩টি ইউনিট গঠন করে ৫,৮৯৫ জন নতুন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ। বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫,২৬০ জনে। ভ‚মিকম্প প্রবণ ঢাকা, চট্রগ্রাম ও সিলেটসহ ৯টি জেলা শহরের জন্য মাইক্রোজোনেশন ম্যাপ ও আপদকালীন পরিকল্পনা তৈরি। ৩২,০০০ আরবান ভলান্টিয়ার তৈরি ও প্রশিক্ষণ দান। গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা/কাবিটা) সাধারণ ও বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ২০০৮-০৯ হতে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত ৩,৪২,৪৬১টি প্রকল্পের অনুকূলে ১,৬১,৭১,১০০ জন উপকারভোগীদের মাঝে ২০.৩০ মে.টন খাদ্য শস্য ও ৪১৬৬.৩২  কোটি টাকা বিতরণ। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ২০০৯-১০ হতে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত ২০,৮৪,০০৫টি প্রকল্পের অনুকূলে ১,৪৭,৩০,৩৫০ জন উপকারভোগীদের মাঝে ২০,৫৩,৫৬৪ মে.টন খাদ্য শস্য ও ৪৩৫২.৩১ কোটি টাকা বিতরণ। মানবিক সহায়তা কর্মসূচির (জি আর, খাদ্যশস্য টাকায়) আওতায় ২০০৯-১০ হতে ২০১৭-১৮ অর্থ বছর পর্যন্ত ১.৫৮ কোটি জন উপকারভোগীদের মাঝে ২,৫২৭ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকার খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে। মানবিক সহায়তা কর্মসূচির (নগদ অর্থ জি আর) আওতায় ২০০৯-১০ হতে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত  ৪২,৯৩,৯৬০ জন উপকারভোগীদের মাঝে ১৯৩ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। নব-জীবন কর্মসূচির আওতায় ৫৮টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র মেরামত এবং ৭টি নির্মাণ করা হয়েছে। ১২টি ইমার্জেন্সি পিকআপ ভ্যান ও ১২টি স্মল মেরিন রেসকিউ বোট ক্রয় করে সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত ১২টি জেলায় প্রেরণ। ৬৪টি হ্যান্ড টুল সেট, ১৪৪টি হ্যান্ডি মেগাফোন, ১৪৪টি স্ট্রেচার, ১৪৪টি ফাস্ট এইড কিট ক্রয় করে সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত ১২টি জেলায় বিতরণ করা হয়েছে।

৭৬৮টি বডি হারনেস, অরেঞ্জ ভেস্ট ও আইডেন্টিফিকেশন কার্ড, কশান টেপ, ১৪৪টি টেন্ট ও গ্রাউন্ড সীট, ৭৬৮টি ফ্লাশ লাইট ও পোর্টেবল জেনারেটর ক্রয় করে সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত ১২টি জেলায় বিতরণ করা হয়েছে। দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ ৩৫টি উপজেলায় পোল ফিটেড মেগাফোন সাইরেন স্থাপন। ৬টি মোবাইল এম্বুলেন্স বোট ক্রয় করে ৬টি জেলায় (খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, ভোলা এবং চট্টগ্রাম) বিতরণ। ৪টি সী সার্চ এন্ড রেসকিউ বোট ক্রয় করে কোস্ট গার্ডকে ৩টি ও র‌্যাবকে ১টি বোট প্রদান করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩টি বিভাগ, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ ইউনিভারসিটি অব প্রফেসনালস প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে অনার্স  মাস্টারস কোর্স চালু। আইলা ক্ষতিগ্রস্ত ২৪টি উপজেলায় ৭৫ কিঃ মিঃ কাঁচা রাস্তাকে একক স্তর বিশিষ্ট ইটের রাস্তায় রুপান্তরকরণ। পয়ঃনিস্কাশন ও পানীয় জলের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে ৫,১১২টি পরিবারকে দুর্যোগ সহনশীল পায়খানা এবং ৪১২ টি গভীর নলকূপ প্রদান। ৬,০০,০০০ আইলা ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আবহাওয়া ও দুর্যোগ সংক্রান্ত তথ্য ও আগাম সতর্ক বার্তা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সর্বসাধারণের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশের সকল মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে ইন্টারেকটিভ ভয়েস রেসপন্স চালু করা হয়েছে । বিনা পয়সায় ১০৯০তে মোবাইল কল করে আবহাওয়া বার্তা জানার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিয়মিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বার্তা প্রকাশ। দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ সরবরাহের জন্য দুর্যোগ বিদ্ধস্ত এলাকায় ত্রাণ সরবরাহের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে ২,০০০টি প্যারাশুট তৈরির জন্য সহায়তা প্রদান করেছে । উপকূলীয় অঞ্চলের ২,৫০০ জন জেলেকে তাদের নৌকায় ব্যবহারের জন্য ১টি করে সৌরবাতি ও ২টি করে লাইফ জ্যাকেট প্রদান এবং ১২,০০০টি পরিবারকে পরিবার ভিত্তিক প্রস্তুতিমূলক সরঞ্জামাদি প্রদান করা হয়েছে ।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর