আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
সিরাজগঞ্জে ট্রাকচাপায় দুই ব্যবসায়ী নিহত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গাইবান্ধার রঞ্জু মিয়াসহ পাঁচ ‘রাজাকারের’ রায় মঙ্গলবার বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি সাংবাদিক দিল মনোয়ারার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

সোমবার   ১৪ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ২৯ ১৪২৬   ১৪ সফর ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
মাগুরায় সিএনজি চাপায় পথচারী নিহত পুলিশের ওপর বোমা হামলায় জড়িত অভিযোগে গ্রেফতার ২ পিরোজপুরে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট আড়াইহাজারে এক সন্তানের জননীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে আটক ২ টঙ্গীতে ভয়াবহ আগুন, আহত ২
২৩

নারীদের সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে আসা উচিত : মৌসুমী

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০১৯  

মৌসুমী। ঢাকাই চলচ্চিত্রের নন্দিত অভিনেত্রী। ১৯৯৩ সালের ২৫ মার্চ সোহানুর রহমান সোহানের 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' ছবির মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষেক হয় তার। এ বছর তিনি চলচ্চিত্র অভিনয়ের ২৫ বছর পার করেছেন। এবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রথমবার সভাপতি পদে লড়ছেন তিনি। নির্বাচনে অংশগ্রহণের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে কথা হলো তার সঙ্গে-

১৯৮৪ সালে শিল্পী সমিতির প্রথম নির্বাচন থেকে আজ পর্যন্ত কোনো অভিনেত্রী সভাপতির পদে নির্বাচন করেননি। আপনি কী মনে করে এলেন?

এটা তো ভয়ঙ্কর কোনো স্থান নয় যে অভিনেত্রীদের আসতে ভয় পেতে হবে। রাজনৈতিক দলাদলি এবং হুমকি-ধমকিরও কোনো বিষয় নেই। এখানে যারা আছেন তারা সবাই আমার বড় বা ছোট ভাইবোন। আমরা সবাই চলচ্চিত্র পরিবারের মানুষ। তাই এখানে নারী দাঁড়ালেই কী, আর পুরুষ দাঁড়ালেই কী। তবে নারীদের সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে আসা উচিত।

এই নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?

আমার অভিনয় জীবনের শুরু থেকে সবসময়ই শিল্পীদের পাশে থেকেছি। শিল্পীদের পাশে আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার জন্যই নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। আমাদের শিল্পী সমিতি সুন্দর একটা সংগঠন। এটা শিল্পীদের অনেক তাৎপর্য বহন করে। সংগঠনটি ভালোভাবে পরিচালিত হবে সবার মতো আমারও প্রত্যাশা।

গত নির্বাচনে সাধারণ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর কমিটি থেকে সরে গিয়েছিলেন। বর্তমান কমিটির কার্যক্রমে আপনি সন্তুষ্ট?

যারা আগে শিল্পী সমিতি পরিচালনা করেছেন, এখনও করছেন তারা তাদের মতো করে ভালো করেছেন। যদিও ক্ষেত্র বিশেষে কারও কারও বিষয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। যেহেতু নির্বাচিত হওয়ার পর ব্যক্তিগত কারণে আমি কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছিলাম। ফলে কমিটির ভেতর কী হয়েছে সেটি জানি না। এবার বিজয়ী হলেই জানতে পারব কমিটি কী করেছে, কী করেনি।

তার মানে বর্তমান কমিটি নিয়ে যে প্রশ্নগুলো উঠেছে, জয়ী হলে তার উত্তর বের করতে পারবেন বলে মনে হয়?

বর্তমান কমিটি নিয়ে অনেকেই আমার কাছে প্রশ্ন করেছেন, নানা বিষয়ে অভিযোগও করেছেন। বর্তমান কমিটির বিপরীতে কোনো প্যানেল দাঁড়ায়নি বলেই আমি দাঁড়িয়েছি। জয়ী হলে অবশ্যই তাদের প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করব, সমস্যার সমাধানও করব।

আপনি আর ডিএ তায়েব মিলে প্যানেল দিয়েছেন। এই প্যানেলে আর কারা থাকছেন?

আমি গ্রুপিংয়ে বিশ্বাস করি না। সবাই মিলে কাজ করলে যে কোনো কাজই সহজ হয়। তাই তো সবাই মিলে কাজ করতে চাই। শিল্পীরা কাকে চাচ্ছেন সেটা আগে জানা বেশি জরুরি। তারপরও একটা প্যানেলের হয়ে তো আসতে হয়, তাই আসা। এই প্যানেল তৈরির আগে অনেকেই এখানে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তারা এখন পিছিয়ে গেছেন। তাই শেষ সময়ে কারা আমাদের সঙ্গে থাকছেন সেটা নমিনেশন পেপার জমা দেওয়ার পরই বলতে পারব।

যদি জয়ী হন তাহলে প্রথম কোন কাজটি করবেন?

সমিতি নিয়ে সবাই যেমন ভাবছে আমিও তেমনই ভাবছি। তবে সমিতির নতুন নেতৃত্ব যেই জয়ী হয়ে আসুক সবার কাছে আমার প্রথম চাওয়া থাকবে সমিতি পরিচালনার সিস্টেম যেন আরও আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল হয়। প্রত্যেক শিল্পীর সম্মানের দিকে নজর দেওয়া হয়।

শিল্পী সমিতিতে আগে ভোটার ছিল ৬২৪ জন। এবার ৪৪৯ জন। অভিযোগ উঠেছে, সমিতির গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে ১৭৫ সদস্যকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আপনি কী মনে করেন?

বিষয়টি শুনেছি। ক্যাবিনেটে থাকলে এ বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারতাম। সদস্যদের বাদ দিয়েছে বর্তমান কমিটি। হুট করে একজন শিল্পীর অধিকার কেড়ে নেওয়া ঠিক নয়।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর