আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
ব্রাহ্মবাড়িয়ায় ট্রেন দূর্ঘটনায় আহত আরো একজন সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন হলি আর্টিসান হামলা : রায় ২৭ নভেম্বর বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশীসহ ৫২ জন আটক রাঙামাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্রী নিহত, আহত ৪ খুলনায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ হাইকোর্টের রায় মেঘনায় লঞ্চের ধাক্কায় জাহাজডুবি, নিখোজ ৩ চট্টগ্রামে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে ভবন ধস : শিশুসহ নিহত ৭, আহত ১৫

রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩ ১৪২৬   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
খুলনায় চতুর্থ দিনে ৪ কোটি ২৯ লাখ টাকার কর আদায় পর্দা কাণ্ডে ফরিদপুরের সাবেক পরিচালকসহ ১২ জনকে তলব আইন করে জরিমানা আদায় মুখ্য উদ্দেশ্য নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে কাভার্ড ভ্যানচাপায় শিশুর মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে উল্টে গেল বাস, নারীসহ আহত ২০ ৬ দিনের রিমান্ডে ক্যাসিনো সম্রাট মওলানা ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ হাইকোর্টের রায় চীন ও মিসরের পেঁয়াজ এসেছে চট্টগ্রাম বন্দরে
১৯০

নদী আছে নাব্যতা নেই

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০১৮  

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া বেতনা নদীতে পলি জমতে জমতে নাব্যতা হারাতে বসেছে। অতিদ্রুত খনন কাজ শুরু না হলে বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে বেতনা নদী। আবহমানকাল থেকে বেতনা নদীটির দৈর্ঘ্য ১৯১ কিলোমিটার (১১৯ মাইল), গড় প্রস্থ ৫৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক বেতনা নদীর প্রদত্ত। নদীটির পরিচিতি নম্বর নং- ৬৪। সরেজমিন ঘূরে জানাগেছে, বিনারপোতা থেকে বেতনা নদী সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কয়েকটি গ্রাম ও আশাশুনি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের বুক চিরে খোলপেটুয়া নদীতে গিয়ে মিশেছে এক সময়কার প্রমত্তা বেতনা নদী। কালের বিবর্তনে বেতনা নদী আজ হারিয়েছে তার নব্যতা। বর্তমানে নদীটির চার ভাগের তিনভাগই ভরাট হয়ে নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে গেছে। এছাড়া সাতক্ষীরা সদরের বিভিন্ন এলাকায় নদীটি শুকিয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে এবং আশাশুনির অনেক স্থানে ভাটার সময় নদী হেটেই পার হয় সাধারণ মানুষ। নদীর তার নাব্যতা হারানোর ফলে লোকালয়ের মৎস্য ঘের, খাল-বিলের থেকেও নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে উঁচু হওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হতে পারেনা। উপরন্ত বর্ষা মৌসুমে সকল খালের গেটের স্লুইচ বন্ধ করে রাখতে হয়, যাতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে না পারে। চলতি শীত মৌসুমে যদি বেতনা নদীটি খনন করা না হয় তবে সামনের বর্ষা মৌসুমে সাতক্ষীরা সদর ও আশাশুনি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার আশংকা করছে স্থানীয় সচেতন মহল। তথ্য অনুসন্ধানে জানাগেছে, বেতনা নদীর উভয় পাড়ে নির্মাণ হওয়া ইটভাটা গুলো তাদের ইচ্ছামত নদীর চর দখল করে সেখানে নির্মাণ করছে কাঁচা ইট তৈরীর খামার। অন্যদিকে স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যুরা ইজারা না নিয়ে যে যার মত বেড়ীবাঁধ দিয়ে দখল করে নিচ্ছে নদীর চর। এ অবস্থায় চলতে থাকলে কোন একদিন বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে মুছে যাবে বেতনা নদীর নাম। এলাকা প্লাবিত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা ও মানচিত্রের বুকে নদীটি বাঁচিয়ে রাখতে বিষয়টি আমলে নিয়ে অতিদ্রুত খনন কাজ শুরু করতে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নদী প্রিয় এলাকার সচেতন মহল।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর