আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসে সড়কের ধর্মঘট প্রত্যাহার কিশোরগঞ্জে সিএনজি-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ করাচি থেকে ৮২ টন পিঁয়াজ নিয়ে ঢাকায় পৌছেছে কার্গো বিমান বগুড়ায় যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা ময়মনসিংহে ৭০০০ কেজি লবণ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ প্রস্তুত এনসিটিবি, চলতি মাসেই শতভাগ নতুন বই

বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
মাধ্যমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ খুলনা রেঞ্জে গত মাসে কোটি টাকার মাদক জব্দ কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনা : ৫ সুপারিশ তদন্ত কমিটির রিফাত হত্যা মামলায় চার্জ গঠন ২৮ নভেম্বর ভারতে ব্যাংক জালিয়াতি, বাংলাদেশিসহ আটক ৪ আগামী তিনদিনে তাপমাত্রা আরো কমবে
৩৬

নতুন ঘর পেলো কাশিয়ানীর ৩৫ পরিবার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০১৯  

কাশিয়ানী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ৩৫টি দরিদ্র পরিবারকে তাদের নিজেদের জমিতে বাড়ি তৈরি করে দিয়েছে সরকার। দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চলতি অর্থবছরে উপজেলায় মোট ৩৫টি পরিবারকে পাকা ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়। গত সপ্তাহে তাদের কাছে বাড়িগুলো হস্তান্তর করা হয়েছে। 

নিজের জমিতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাওয়ায় এ পরিবারগুলোকে এখন আর রাত-বিরাতে অন্যের বাড়িতে ঘুমাতে হবে না। ঝড়-বৃষ্টিতে দৌড়ে পালাতে হবে না আশ্রয়ের খোঁজে। প্রত্যেক পরিবারের জন্য দালান ঘর, পাকা পায়খানা, রান্নাঘর ও বারান্দাসহ বাড়ি তৈরি করে দিয়েছে সরকার। নতুন বাড়ি পাওয়ার আগে অনেকেই পরিবার নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ে ছিলেন। এখন নতুন বাড়ি পেয়ে তারা খুশি।

কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নের শ্মাশান ঘাটের পাশের বাসিন্দা গুরুপদ দাসের ছেলে অসিম কুমার দাস পেশায় মুচি। বাবার রেখে যাওয়া চার শতক জমি তার শেষ সম্বল। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে মোট চার জনের সংসার। জুতা সেলাই করে যা আয় হয় তা দিয়ে বাড়ি বানানো তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। আগে ঝড় বৃষ্টিতে অন্যের ঘরে আশ্রয় নিতে হতো তাকে। কিন্তু প্রকল্পের আওতায় দুটি শোয়ার ঘরসহ বারান্দা, রান্নাঘর ও পাকা পায়খানা পাওয়ায় এখন তার মাথা গোঁজার স্থায়ী ব্যবস্থা হয়েছে।

উপজেলার বেথুড়ী গ্রামের অন্ধ ভিক্ষুক ৬২ বছর বয়সী অহিদ মোল্যার শেষ সম্বল বাবার রেখে যাওয়া তিন শতক জমি। মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলে একটি টিনের ছাপড়া দিয়ে কোনো রকমে জীবনযাপন করছিলেন। বৃষ্টি হলে রান্না বন্ধ থাকতো। উপজেলার পুইসুর গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আফতাব মোল্যার স্ত্রী ফরিদা বেগম নিঃসন্তান। স্বামী মারা যাওয়ার সময় সাড়ে তিন শতক জমি রেখে গেছেন। সরকারি অর্থায়নে সেখানে নিজের বাড়ি হওয়ায় তাকে এখন আর অন্যের ঘরে বসবাস করতে হয় না।

উপজেলার ব্যাসপুর গ্রামের বিধবা মরিয়ম বেগমের তিন সন্তান। মানুষের বাড়িতে কাজ করেন তিনি। সন্তানদের দিকে চেয়ে শত অভাবেও বিক্রি করেননি শশুরের ভিটা। সেই ভিটায় এখন পেয়েছেন স্থায়ী আশ্রয়।

জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, শুধু কাশিয়ানী নয় জেলায় এবার ১৯৩টি পরিবারকে দুর্যোগ সহনীয় ঘর দেওয়া হয়েছে। যাদের জায়গা আছে কিন্তু ঘর নাই সরকার তাদের এসব ঘর বানিয়ে দেওয়ার জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছে। আগামীতে আরও ঘরের বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এগুলোও দরিদ্র লোকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর