আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর ৭টি ধারার বৈধতা নিয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে রোহিাঙ্গা ক্যাম্পের চারদিকে কাঁটাতারের বেষ্টনী তৈরির কাজ শুরু হবে : সেনাবাহিনী প্রধান অর্থোপাচার মামলায় সেলিম প্রধান ও তার দুই সহযোগীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাস ২৩.৭২ শতাংশ সরকার ছাত্র রাজনীতি বন্ধের পক্ষে নয় : ওবায়দুল কাদের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি ও র‌্যাগিং বন্ধে রিট

সোমবার   ১৪ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ২৯ ১৪২৬   ১৪ সফর ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
আবরার হত্যা : মোয়াজ ও শামিম বিল্লাকে ৫ দিনের রিমান্ডে জেএসসি পরীক্ষা : ২২ দিন কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ টাইফুনে লন্ডভন্ড জাপান, নিহত বেড়ে ১৯ কাকরাইলে পিকআপের ধাক্কায় রিকশা আরোহী নারী নিহত চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা, গ্রেফতার ২
৫০৪

দীর্ঘ সময় বসে কাজে বাড়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকি

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর ২০১৮  

জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে অফিস বা ব্যবসা ক্ষেত্রে আমাদের দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করতে হয়। অনেকক্ষণ বসে থাকার ফলে ধীরে ধীরে শরীরে বাঁধতে শুরু করে নানা রোগ-ব্যাধি, যা কখনো মারাত্মক আকারও ধারণ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোমরে চর্বি জমা, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, হার্টের সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি সমস্যাগুলো যারা বসে কাজ করেন তাদের মধ্যে বেশি।

এছাড়াও যারা ডেস্কে বসে বেশিক্ষণ কাজ করেন তারা কোমর ও ঘাড় ব্যথায় বেশি ভোগেন। কিন্তু জীবনের তাগিদে নিত্যদিনের কাজ ত্যাগ করা সম্ভব নয়। তাই প্রতিদিন কাজের ফাঁকে কিছু অভ্যাস তৈরি করা উচিত। যেমন- এক ঘণ্টা পর পর চেয়ার থেকে উঠে কিছুক্ষণ হাঁটা, লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি দিয়ে উঠা-নামার অভ্যাস করা, চেয়ারে সোজা হয়ে বসা।

এছাড়াও কিছু ছোট-খাটো ব্যায়াম আছে যা চেয়ারে বসেই করা যায়, কাজের ফাঁকে এই ব্যায়ামগুলো করতে পারলে আরো ভালো। মনে রাখতে হবে আমাদের শরীর প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করে, তা কাজে লাগাতে হবে।

তাই প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি নাশতায় ভাজা-পোড়া বা ফাস্টফুডের পরিবর্তে মৌসুমি ফল বা বাদাম জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। গ্রিন টি আমাদের শরীরে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, তাই চা বা কফির পরিবর্তে গ্রিন টি খাওয়া যেতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে যারা কাজ করেন তাদের অন্ততপক্ষে বছরে একবার রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত। পাশাপাশি ছয় মাসে একবার হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা