আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
সিরাজগঞ্জে ট্রাকচাপায় দুই ব্যবসায়ী নিহত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গাইবান্ধার রঞ্জু মিয়াসহ পাঁচ ‘রাজাকারের’ রায় মঙ্গলবার বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি সাংবাদিক দিল মনোয়ারার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

সোমবার   ১৪ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ২৯ ১৪২৬   ১৪ সফর ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
মাগুরায় সিএনজি চাপায় পথচারী নিহত পুলিশের ওপর বোমা হামলায় জড়িত অভিযোগে গ্রেফতার ২ পিরোজপুরে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট আড়াইহাজারে এক সন্তানের জননীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে আটক ২ টঙ্গীতে ভয়াবহ আগুন, আহত ২
৩৩

‘তাল তুলি এয়ার ফ্রেশনারের খালি ক্যানে’

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

এম এম জাহাঙ্গীর আলম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারাগারে রক্ষী হিসেবে কর্মরত। পদ কারারক্ষী হলে তিনি সেখানকার জেল সুপারের গাড়ির চালক। জাহাঙ্গীর যে গাড়ি চালান সেই গাড়িতে বসে গান গেয়ে ফেসবুকে আপলোড করে এক বছরেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তার প্রতিটি গানের ভিউয়ার ১৫ থেকে ১৬ লাখ। 

গাড়িতে বসে গান করেন, সেই গাড়িতে বসেই সাক্ষাৎকার নিচ্ছি- বিষয়টি আপনার কাছে কেমন লাগছে?

জাহাঙ্গীর : খুবই ভালো লাগছে। বাইরে কোথায় গান করব? এরকম কোনো সুযোগ আমার নেই। বাইরে গান করার মতো পরিবেশও নেই। গান লেখা বা গাওয়ার জন্য নিরিবিলি পরিবেশ প্রয়োজন। বাসায় যে করব, সেরকম পরিস্থিতি নেই। তাই গাড়িতে বসে করি। গাড়িতে একটু নিরিবিলি বোধ করি। দরজা বন্ধ করে দিয়ে গাড়িতে বসেই গানগুলো করছি।

আপনার গাওয়া গানগুলো কি নিজের লেখা?

জাহাঙ্গীর : হ্যাঁ। নিজে লেখি এবং সুর করি। যখন কোনো ঘটনা ঘটে- পদ্মা সেতু নিয়ে যে একটু গুজব ছড়িয়েছে, এতে অনেক নিরীহ মানুষের প্রাণ চলে গেছে। ফেসবুকে এসব দেখে যখন আমি বুঝলাম, এই গুজবে মানুষের প্রাণ যাওয়ার আশঙ্কা আছে, তখনই আমি এই গুজব নিয়ে একটি গান তৈরি করেছিলাম। সচতেন করার চেষ্টা করেছিলাম যে, গুজব আসলে সমাজের জন্য একটা ব্যাধি।

গান ছাড়া কি কবিতা বা অন্য লেখালেখি করেন?

জাহাঙ্গীর : জ্বি। লেখাপড়া চলাকালীন কবিতা লিখতাম। প্রচুর কবিতা লিখেছি। একটা বইও পাবলিশ করেছি। আরো চার-পাঁচটা লিখেছি। পাবলিশ করা হয়নি। আর্থিক সমস্যা আছে। প্রথম বইটি যখন পাবলিশ করেছিলাম, সেই বইটিতে ২৫ হাজার টাকা খরচ করেছিলাম। যারা ছেপেছিল করেছিল, তারা বলেছিল যে, না আপনার বই আপনিই বিক্রি করবেন। ২৫ হাজার টাকা নিয়ে ৫০০ কপি বই আমাকে দিয়ে দিলো। তারপর আসলে বিক্রি করতে পারলাম না। ওই ৫০০ কপি ফ্রি ফ্রি দিয়ে দিলাম।

আমরা যখন আপনার গানের ভিডিও দেখি, তখন একটা বাদ্যযন্ত্রের শব্দ পাই। কিন্তু যন্ত্রটি আমরা দেখতে পারি না। আসলে কী যন্ত্র বাজিয়ে আপনি গান করেন?

জাহাঙ্গীর : অবশ্যই বলব। আমার গান করা আপনি দেখেছেন। আমি গান গাই জাস্ট, কোনো মিউজিক নেই। কোনো প্রযুক্তি নেই। মোবাইল ফোনটা সামনে রেখে ভিডিও অন করে গান করি। আর সেই গান ফেসবুকে আপলোড দেই।

তবে আমি যে বাদ্য যন্ত্রটি বাজাই, ওটা এয়ার ফ্রেশনারের খালি ক্যান। এই দেখেন। এটা বাজিয়ে বাজিয়ে একটা তাল তুলি। জাস্ট একটাই। এটায় তাল উঠিয়ে গানগুলো করি। এছাড়া, অন্য কোনো কিছু নয়।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর