আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
সাতটি নতুন থানা ও বিশ্বনাথকে পৌরসভা ঘোষণা করেছে সরকার অর্থ আত্মসাতের মামলায় বিএনপির সাংসদ হারুনসহ ৩ জনের কারাদণ্ড গ্রেফতারের আগে সরকারের অনুমতি নেয়া সংক্রান্ত সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ বিধান নিয়ে হাইকোর্টের রুল আইনজীবীর সহকারী মোবারক হত্যা মামলায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড মেননের বিরুদ্ধে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা : তথ্যমন্ত্রী

সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৬ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
গাজীপুরে কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে বোরহানউদ্দিনে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের মামলা , আসামি ৫ হাজার ঢাকায় আনসার আল ইসলামের ৪ ‘জঙ্গি’ গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে পুলিশের ঘিরে রাখা লাগেজে মিলল এক ব্যক্তির লাশ
৩০

তারকা হলেই শিল্পী হওয়া যায় না: আল মনসুর

স্বাক্ষাৎকার ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০১৯  

আল মনসুর। অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক। এনটিভিতে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক 'সোনার খাঁচা'। এ নাটক ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হলো তার সঙ্গে-

বেশ কিছুদিন ধরেই 'সোনার খাঁচা' প্রচার হচ্ছে। নাটকটি নিয়ে দর্শক প্রতিক্রিয়া জানার সুযোগ হয়েছে?

অনেকেই নাটকটি ভালো লেগেছে বলে জানিয়েছেন। গল্পের ভিন্নতার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে। এর জন্য অবশ্য সবার আগে নির্মাতা সাগর জাহানকে ধনব্যাদ দিতে হয়। কারণ তিনি গল্পকে যথাযথভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন। সত্যি বলতে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই প্রত্যেক পরিচালক চান ব্যতিক্রমী কিছু নির্মাণ করতে। কিন্তু গল্প, চিত্রনাট্য, নির্মাণশৈলী ও অভিনয়শিল্পীর একাত্মবোধ যদি না ঘটে তাহলে ভালো নাটক নির্মাণ করা কখনোই সম্ভব নয়। নাটকের রচয়িতা বৃন্দাবন দাসও ব্যতিক্রমী একটি গল্প উপহার দিতে পেরেছেন বলে মনে করি। নাটকের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক অভিনয়শিল্পী চেষ্টা করেছেন নিজের সর্বোচ্চটা দিতে।

গল্পের প্রেক্ষাপট কী নিয়ে?

এটি কমেডি ঘরানার নাটক। তবে আজকাল যেসব কমেডি নাটক নির্মিত হয় তার থেকে অবশ্যই বেশ আলাদা। কারণ বৃন্দাবন দাস প্রতিটি গল্পেই স্বকীয়তা ধরে রাখার চেষ্টা করেন। এ নাটকেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। গল্পের দিকে তাকালে দেখা যায়, তৃণমূলের সবচেয়ে প্রাচীন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম ইউনিয়ন পরিষদ। মানুষ যে কোনো প্রয়োজনে তাদের আশ্রয়স্থল ভাবে এই পরিষদকে। প্রতিবার নির্বাচন আসে, মানুষ স্বপ্ন দেখে, তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। অনেক স্বপ্ন নিয়ে জনসাধারণ পরিষদে নেতা নির্বাচিত করে। কিন্তু পরিষদের চেয়ারে বসে সবাই যেন বদলে যায়। অধরাই থেকে যায় মানুষের স্বপ্ন। তাই অনেকে পরিষদের ওই ভবনটিকে সোনার খাঁচা বলে সম্ব্বোধন করে। তাদের সব স্বপ্ন যেন সোনার খাঁচায় বন্দি। কিন্তু কেউ সে খাঁচা ভাঙতে পারে না।

বর্তমানে কমেডি নাটক আসলে দর্শককে কতটা বিনোদিত করতে পারছে?

সত্যি বলতে, তেমন একটা নয়। কারণ ১০টির মধ্যে আটটি কমেডি নাটকই মানসম্মত নয়। এর মধ্যেও কিছু নির্মাতা ও রচয়িতা ভালো কাজ করে যাচ্ছেন। তবে ভিন্ন ঘরানার গল্পেও এখন অনেক নাটক হচ্ছে। এটি অবশ্যই ইতিবাচক দিক।

মিডিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি কেমন মনে হচ্ছে?

আমাদের দেশে এখন অনেক নাটক তৈরি হচ্ছে। খুব ভালো নাটক লিখতে পারে এমন নাট্যকার যেমন আছেন, তেমনই ভালো নির্মাতাও আছেন। আমাদের নাটক বৈচিত্র্যপূর্ণ, আধুনিক ও শিক্ষণীয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, নানা কারণে নাটক ইন্ডাস্ট্রিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর মধ্যে বাজেট স্বল্পতা অন্যতম। এত কম বাজেটে ভালো নাটক হওয়া বিস্ময়কর। এসব সমস্যা দূর হলে নাটক ইন্ডাস্ট্রির পরিবেশ আরও ভালো হবে।

নাট্যকার, নির্দেশনা ও অভিনয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আছেন। নির্দিষ্ট কোনো মাধ্যমের প্রতি বিশেষ ভালো লাগা আছে কি?

সেভাবে কোনোদিন ভেবে দেখিনি। যখন যে কাজ করি সেটিতেই নিজের সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করি। আমার মনে হয়, সবার ক্ষেত্রে সেটিই হওয়া উচিত। শিল্পী হতে চাইলে যে কোনো কাজে মগ্ন থাকা প্রয়োজন।

তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

বর্তমান প্রজন্মের নতুন কিছু করে দেখানোর চেষ্টা আছে। এটি অব্যশই ইতিবাচক বিষয়। তবে এখনকার প্রজন্ম অনেক বেশি অনলাইননির্ভর। এতে দোষের কিছু দেখি না। তবে অনলাইনের মাধ্যমে রাতারাতি তারকা বনে যাওয়ার প্রবণতা কারও কারও দেখেছি। এটি আমাকে ব্যথিত করেছে। সত্যি বলতে, তারকা হলেই শিল্পী হওয়া যায় না।

 

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর