আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
গত রাতে ঢাকার সিদ্ধেশরী থেকে লাশ উদ্ধার হওয়া তরুনীর নাম রুম্পা, তার বাবা পুলিশের পরিদর্শক এসএ গেমস ফুটবলে শ্রীলংকাকে ১-০ গোলে হারাল বাংলাদেশ হলি আর্টিজান মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ আসামির ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে আইএসের টুপি কারাগার থেকে আনা হয়েছিল দাবি ডিবির খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসীসহ গ্রেফতার ৩, অস্ত্র উদ্ধার নয়াপল্টন থেকে বিএনপির ৭ জন আটক

শুক্রবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬   ০৮ রবিউস সানি ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
আইনজীবী তালিকাভুক্তি নিবন্ধন পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি বাগেরহাটে ৯৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ কার্গো আটক কিডনি দান করার বিধান রেখে আইন সংশোধনে হাইকোর্টের নির্দেশ হলি আর্টিসান মামলার রায়ের কপি উচ্চ আদালতে মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ শ্রমিক ফেরাতে বিমানের ১৬টি বিশেষ ফ্লাইট আদালতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছে বিএনপিপন্থীরা : অ্যাটর্নি জেনারেল মায়ের সামনে জানালা দিয়ে পড়ে প্রবাসী শিশুর মৃত্যু
১৪৫

জিয়া-এরশাদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা অফিস

প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০১৯  

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসান বলেছেন, মেজর জিয়া এবং এরশাদ কখনোই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। মহামান্য আদালতের রায়ে বলা হয়েছে অসাংবিধানিকভাবে এরা রাষ্ট্রপতির নাম লিখেছেন। তাই তারা কখনোই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।

আজ মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘নভেম্বর ১৯৭৫, ষড়যন্ত্র, রক্তাক্ত বাংলাদেশ ও প্রতিক্রিয়াশীলতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা মুক্তিযুদ্ধ, গণহত্যা, এবং জেল হত্যাসহ বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া নানা আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মেজর জিয়া বাংলাদেশে যে বিচারহীনতার রাজনীতি স্থাপন করে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা সেই অপরাজনীতির হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছেন। জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন তার আদেশেই জেলে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তার মৃত্যুও নির্মমভাবে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মেজর জিয়া এবং এরশাদ ছিল খুনি চক্র। খুন করে ক্ষমতা দখল করেছে। এই খুনি চক্ররা কখনোই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।

স্মৃতিচারণে মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, আমরা দেখেছি মেজর জিয়া তার মন মত মানুষ হত্যা করেছে। ক্ষমতায় তার ওপরে যে যাওয়ার চেষ্টা করেছে তাকেই সে হত্যা করেছে। এমনকি অনেক মুক্তিযোদ্ধা এবং বীর বিক্রমকে তার আদেশে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

১৯৭৫ সালের নভেম্বরে দেশে ঘটে যাওয়া নানাবিধ ঘটনার প্রতীয়মান সাক্ষী হিসেবে ধারা বর্ণনা করেন, সে সময়ে দেশে সামরিক বাহিনীতে কর্মরত মেজর জেনারেল, পিপিআর ও মুক্তিযোদ্ধারা।

আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাশেক রহমান, মেহজাবিন খালেদ, অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাব, সাংবাদিক ও সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান প্রমুখ।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর