• সোমবার   ৩০ মার্চ ২০২০ ||

  • চৈত্র ১৬ ১৪২৬

  • || ০৫ শা'বান ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
চট্টগ্রামে ৭২ ঘণ্টায় ৩০ নমুনা সংগ্রহ, মেলেনি করোনার লক্ষণ করোনা নিয়ে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করোনা প্রতিরোধে সারাদেশে কাজ করছে সেনাবাহিনী সবকিছু নিয়ে সরকার জনগণের পাশে আছে : প্রধানমন্ত্রী
৮৪

খুলনা সদর হাসপাতালে অপারেশন বন্ধ, রোগীদের ভোগান্তি

আজকের খুলনা

প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর ২০১৯  

শুধুমাত্র এ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসকের অভাবে খুলনা সদর হাসপাতালে এক সপ্তাহ অপারেশন বন্ধ রয়েছে। অপারেশনের রোগীদের এ্যানেস্থেশিয়া বা অজ্ঞানের জন্য একজন মাত্র চিকিৎসক ছিলো। তারও পদোন্নতি এবং বদলী হওয়ায় অপারেশন করতে পারছে না সার্জারি চিকিৎসকরা। ফলে অপারেশনের অপেক্ষায় রোগীরা পড়েছেন সীমাহীন ভোগান্তিতে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে, খুলনা সদর হাসপাতালে অবকাঠামো ও জনবল না থাকলেও রোগীদের চাপ বরাবরই বেশি। যে কারনে হাসপাতালটি আড়াইশ’ শয্যা ঘোষণা হয়েছে ২০১৭ সালে। অথচ পূর্বের একশ’ শয্যার এ হাসপাতালটির অনুমোদিত জনবলেরও এক তৃতীয়াংশের বেশি পদ শূন্য। ৩৪ জন চিকিৎসকের ৭টি পদ শূন্য। ১৬২টি নার্সিং পদের মধ্যে ২০টির বেশি পদ শূন্য রয়েছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যেও ৩৫টি পদ শূন্য। এমন ত্রাহী অবস্থার মধ্যে দিয়ে হাসপাতালটি যখন দ্বিগুণ এর বেশি রোগীর সেবা দিচ্ছেন ঠিক তখনই এ্যানেস্থেশিয়া বিভাগের একজন মাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ মোঃ মনিরুজ্জামানকে পদোন্নতি দিয়ে সাতক্ষীরা বদলী করা হয়েছে। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে সকল ধরনের অপারেশন। গত বৃহস্পতিবার থেকে হাসপাতালে সব ধরণের অপারেশন বন্ধ রয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছে অপারেশনের অপেক্ষা থাকা ভর্তি রোগীরা।

সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডাঃ মো রফিকুল ইসলাম বলেন, কিছু ছোটখাট অপারেশন ছাড়া সব কিছুই বন্ধ রয়েছে। কারণ এ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকলে অপারেশন করা সম্ভব নয়। এতে রোগীর জীবন বিপন্ন হবে। তিনি জানান, একজন মাত্র চিকিৎসক ছিলো এ্যানেস্থেশিয়ার তাকেও পদোন্নতি দিয়ে বদলী করা হয়েছে। এখন রোগীদের কষ্ট দেখতে হচ্ছে। এখানে কোন এ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক পদায়ন না করলে অপারেশন শুরু করা সম্ভব নয়। এরই মাঝে খুলনার সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এসএম আব্দুর রাজ্জাক গত বৃহস্পতিবার থেকে অবসর গেছেন। নতুন কেউ এখনও আসেননি। হাসপাতালের দ্বিতীয় প্রধান আরএমও ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমানও আছেন খুলনার বাইরে। ফলে একটি হাহাকার অবস্থা বিরাজ করছে খুলনা সদর হাসপাতালে।

সদ্য বিদায়ী সিভিল সার্জন ডাঃ এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন আমি গত বৃহস্পতিবার থেকে অবসর নিয়েছি। হঠাৎ করে একমাত্র এ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডাঃ মোঃ মনিরুজ্জামানকে পদোন্নতি দিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসাবে বদলী করা হয়েছে। এতে অপারেশন বিঘ্নিত হচ্ছে। আমার দায়িত্ব না থাকলেও আমি বার বার কথা বলছি। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপতাল থেকে সদ্য পদোন্নতি পাওয়া চিকিৎসক ডাঃ মোঃ আব্দুস সামাদকে এখানে নিয়ে আসার জোর প্রচেষ্টা চলছে। আশা করি একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
জনদূর্ভোগ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর