আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
কুমিল্লায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ আবরার হত্যার ঘটনায় অভিযোগ ‘প্রমাণ’ হওয়ায় অমিত সাহাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার এবছর অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন ভারতীয়সহ তিন অর্থনীতিবিদ ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে পেঁয়াজ মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গাইবান্ধার রঞ্জু মিয়াসহ পাঁচ ‘রাজাকারের’ রায় মঙ্গলবার

মঙ্গলবার   ১৫ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ২৯ ১৪২৬   ১৫ সফর ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
ব্যর্থ হলে দুদক চেয়ারম্যানের সরে যাওয়া উচিত : শেখ ফজলে নূর তাপস পাবনায় আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ৫ জঙ্গিসহ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ১৩ নারী গ্রেফতার মাগুরায় সিএনজি চাপায় পথচারী নিহত পুলিশের ওপর বোমা হামলায় জড়িত অভিযোগে গ্রেফতার ২ পিরোজপুরে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট
২৯

খুলনায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। সারাদেশের ন্যায় খুলনার মণ্ডপগুলোতে বেজে উঠেছে দেবী বিদায়ের সুর।

আজ বিকেল সাড়ে ৪ টায় খুলনার ফুলতলা সিকির হাট এলাকায় ভৈরব নদীতে সর্ব প্রথম প্রতিমা বিসর্জন দিতে দেখা যায়। এর পরপরই অন্যান্য মণ্ডপগুলোর প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া শুরু হয়।

প্রতিমা বিসর্জনের আগে মণ্ডপগুলোতে চলে সিঁদুর খেলা আর আনন্দ-উৎসব। হিন্দু সধবা নারীরা প্রতিমায় সিঁদুর পরিয়ে দেন, নিজেরা একে অন্যকে সিঁদুর পরিয়ে দেন। চলে মিষ্টিমুখ, ছবি তোলা আর ঢাকের তালে তালে নাচ-গান।

হিন্দু ধর্মালম্বীদের বিশ্বাসে-বোধনে ‘অরুণ আলোর অঞ্জলি নিয়ে আনন্দময়ী মা উমাদেবীর আগমন ঘটে। টানা পাঁচ দিন মৃন্ময়ীরূপে মণ্ডপে মণ্ডপে থেকে আজ ফিরে যাবেন কৈলাশে স্বামী শিবের সান্নিধ্যে। দেবী বিসর্জনের পর সেখান থেকে শান্তিজল এনে তা রাখা হবে মঙ্গলঘটে, দুর্গা মায়ের সন্তানেরা তা ধারণ করবেন হৃদয়েও।

শরতের শিশির স্নাত শিউলী ঝরা অনাবিল প্রভাতের প্রথম আলোয় গত শুক্রবার (৪ অক্টোবর) শুরু হয়েছিল সনাতন ধর্মাবলম্ভীদের সবচে বড় এ শারদীয়া দুর্গোৎসব। ওই দিন ঘোটকে দেবীর আগমন ঘটে এবং আজ গমন ঘোড়ায়। এ বছর খুলনায় ৯৯৮টি মন্ডপে হয়েছিল এই উৎসব।

খুলনা মহানগরীর ৮ থানায় ১২৯টি মন্ডপ ছিল। এর মধ্যে রয়েছে সদর থানায় ২৫টি, সোনাডাঙ্গা থানায় ১১টি, খালিশপুর থানায় ১১টি, দৌলতপুর থানায় ২২টি, খানজাহান আলী থানায় ১১টি, হরিণটানা থানায় ছয়টি, লবণচরা থানায় ১০টি এবং আড়ংঘাটা থানায় ৩৩টি।

অপরদিকে, জেলার ৯ উপজেলায় ছিল ৮৬৯টি মন্ডপ। এর মধ্যে বটিয়াঘাটায় ১১৮টি, দাকোপ ৮৩টি, রূপসায় ৭৩টি, তেরখাদায় ১০৪টি, দিঘলিয়ায় ৬০টি, ফুতলায় ৩২টি, ডুমুরিয়ায় ১৯৬টি, পাইকগাছায় ১৪৯টি ও কয়রায় রয়েছে ৫৪টি মন্ডপ।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ভারপ্রাপ্ত উপ-কমিশনার (সদর) মনিরুজ্জমান মিঠু জানান, এবছর খুলনার মণ্ডপগুলোতে সুষ্ঠ শৃঙ্খলভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হয়েছে। কোথাও কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেনি।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর