• শুক্রবার   ০৩ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২০ ১৪২৬

  • || ০৯ শা'বান ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
দেশে করোনায় নতুন মৃত্যু নেই আক্রান্ত আরও ৫ লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রাণ নিতে সংকোচ হলে ঘরেই পৌঁছে দেয়া হবে : ত্রাণ মন্ত্রণালয় সাধারন ছুটিতে ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল কঠোর অবস্থানে সেনাবাহিনী
৮৮

এবার সচিবালয় ও বঙ্গভবনের জলাবদ্ধতার সমাধান

আজকের খুলনা

প্রকাশিত: ৬ মার্চ ২০২০  

সামান্য বৃষ্টিতেই একসময় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দিতো রাজধানীর শান্তিনগর ও নাজিম উদ্দিন রোডে। এ দুটি স্থানে এখন মুষলধারে বৃষ্টি হলেও পানি জমে না। মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে স্থান দুটির জলাবদ্ধতা নিরসন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। একই কায়দায় এবার সচিবালয় ও বঙ্গভবনের জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। এরই মধ্যে এর কাজও শুরু হয়েছে। আগামী বর্ষায় এ দুটি স্থানে জলাবদ্ধতা হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিএসসিসির প্রকৌশলীরা জানান, গোপীবাগে ঢাকা ওয়াসার তিনটি পাম্প রয়েছে। এগুলোর প্রতিটির সক্ষমতা প্রতি ঘণ্টায় ১৮ হাজার কিউবিক মিটার। সচিবালয়, গুলিস্তান ও বঙ্গভবনসহ আশপাশের এলাকায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও এসব পাম্প দিয়ে যে পরিমাণ পানি অপসারণ করা যায় তাতে জলজট হবে না। তবে এর বেশি বৃষ্টি হলে জলজট হবে। এজন্য ঢাকা ওয়াসার পাম্পের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তারা।

সামান্য বৃষ্টি হলেই বঙ্গভবন ও প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। অতি গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি স্থানের জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকা ওয়াসা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ রেলওয়েসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে ২০১৮ সালের শুরুতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসসিসি।

ডিএসসিসির ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ জানিয়েছে, গণভবনের চারদিকের রাস্তা নিচু রাখা, এর এক্সপ্রেস ড্রেনেজ লাইনের সঙ্গে সব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, ওয়াসার গোপীবাগ পাম্পিং স্টেশনের সক্ষমতা বাড়ানো এবং কমলাপুর রেলওয়ে কালভার্টের তলদেশ সেগুনবাগিচা কালভার্টের তলদেশের সমান নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর সচিবালয়ের ক্ষেত্রে এই স্থানের পানি ওসমানী উদ্যানের পুকুরে ফেলা, বৃষ্টির সময় পানি ধারণের জন্য সচিবালয়ের পশ্চিম পাশে জলাধার নির্মাণ করা, পানি নিষ্কাশনের জন্য চারপাশে গভীর ড্রেন নির্মাণ করা এবং পর্যাপ্ত পাম্পিং স্টেশন স্থাপন করা হবে। সচিবালয় থেকে সেগুনবাগিচা বক্স কালভার্ট পর্যন্ত নির্মিত এক্সপ্রেস লাইনের সঙ্গে ডিএসসিসি’র সব ড্রেনেজ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছে। এতে আর জলাবদ্ধতা হবে না বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি।

সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, বঙ্গভবনের পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি এক্সপ্রেস লাইন রয়েছে। এর সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে ডিএসসিসির বিভিন্ন সারফেস ড্রেন ও স্যুয়ারেজ লাইন সংযোগ দেওয়ায় ড্রেনেজ লাইনটি ওভারলোডেড হচ্ছে। ফলে বঙ্গভবন এলাকার বৃষ্টির পানি অপসারণ হতে লম্বা সময় লাগছে। তাছাড়া ভারী বৃষ্টির সময় এই ড্রেনেজ লাইন দিয়ে পানি উল্টো ফিরে (ব্যাকফ্লো) আসে। এ জন্য এই ড্রেনেজ লাইনের সঙ্গে দেওয়া সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করে আলাদাভাবে আউটলেট নির্মাণের মাধ্যমে কাছের কোনও বক্স কালভার্টে সংযোগ দেওয়া হবে। এবার বর্ষা মৌসুমের আগেই এসব কাজ শেষ করা হবে।

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
উন্নয়ন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর