আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
পরিবহণ শ্রমিকদের কাজে ফেরার নির্দেশ শাজাহান খানের শনিবার সমাবেশের ঘোষণা জাবি আন্দোলনকারীদের খুলনায় ঘের ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় ৩ জন আটক জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ঢাকায় আসছেন আগামীকাল মাদারীপুর আদালতে জামিন পেলেন শামসুজ্জামান দুদু আফগানিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ যশোরে নারীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, থানায় মামলা আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে বিএনপি : কাদের অনার্স ২য় বর্ষের ২৫ নভেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন স্কুলের মানববন্ধন ডিআইজি পার্থ’র মামলার প্রতিবেদন ২৮ জানুয়ারি শিক্ষা অধিদপ্তরের ঠিকাদারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা খুলনায় নৌ অঞ্চলে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত নওগাঁয় ইজিবাইক চালক হত্যা মামলার ৫ আসামি গ্রেফতার খুলনায় দুর্নীতি বিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সাভারে ২০ লাখ টাকার নকল প্রসাধনী জব্দ ডিসেম্বরে আসছে ড্রিমলাইনার সোনার তরী ও অচিন পাখি খুলনায় কর মেলায় ৫৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা আদায়
৪৬

এক নৌকায় ৩০ গ্রামের মানুষের পারাপার

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০১৯  

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের সাহেবগঞ্জ ও ফরিদপুর সহ প্রায় ৩০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। 

নদীটির নাম ফুলজোর নদী। সাহেবগঞ্জ ও ফরিদপুর গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহমান এ নদী। এই নদী পারাপারের জন্য এলাকাবাসী ও সেমাউলউনডং কমিটির স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় প্রায় লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নদীর উপর নির্মান করা হয়েছিল বাঁশের সাঁকো। 

কিন্তু এবারের বন্যায় বাঁশের সাকোঁটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দূর্ভোগে পড়েন এলাকাবাসী। নদীটির উপর প্রতিদিন একটি মাত্র নৌকা দিয়েই রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল ও হাজার হাজার মানুষ পারাপার হয়। 

এই খেয়া ঘাটটি প্রতি বছর রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ইজারা দেওয়া হয়। ফলে পারাপারের জন্য নির্দিষ্ট হারে টাকাও দিতে হয় সবাইকে। 

এলাকাবাসী শহিদুল  ইসলাম দাবি জানিয়ে বলেন, এই নদী দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হয়। এলাকাবাসীর কষ্ট দূর করতে সরকার যেন ফুলজোড় নদীর উপর একটি সেতু তৈরি করে দেন।

নলকা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আঃ জব্বার জানান, দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে রায়গঞ্জ উপজেলার প্রায় ২৫ হাজার মানুষ এই ঘাট দিয়ে পারাপার হয়। প্রথমে ছোট ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে শুধু মানুষ পারাপার হতো। ডিঙ্গি নৌকায় কৃষিপণ্য সহ অন্যান্য মালপত্র পারাপার করা সম্ভব হতো না। পরে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতে বাঁশের সাঁকো সংস্কার করে পারাপার হতে হয়। কিন্তু এবারের বন্যায় সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় দূর্ভোগে পড়েন এলাকাবাসী। 

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল বাছেদ বলেন, সেতু নির্মানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। আশাকরি দ্রুত সেতু নির্মান করা সম্ভব হবে।

রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট ইমরুল হোসেন তালুকদার ইমন বলেন, ‘ফুলজোড় নদীর উপর একটি সেতু নির্মানের দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা। এই নদীর উপর সেতু নির্মান হলে এলাকার প্রায় লক্ষাধিক লোকের অল্প সময়ে যাতায়াতের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর