আজকের খুলনা
ব্রেকিং:
শিক্ষার মান ঠিক না রাখলে এমপিওভুক্তি থেকে বাদ দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী আবরারের রুমমেট মিজান পাঁচ দিনের রিমান্ডে ফিটনেস নবায়নহীন যানবাহনে তেল-গ্যাস না দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের বিমানের আধুনিকীকরণে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী দুই মাসে ফিটনেস নবায়ন করেছে ৮৯ হাজার ২৬৯টি গাড়ি

বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

আজকের খুলনা
সর্বশেষ:
হত্যা মামলায় ক্যাসিনো খালেদ ৭ দিনের রিমান্ডে উল্লাপাড়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত ৮ খিলগাঁওয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রিকশাচালকের মৃত্যু তালায় মৎস্য ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার বৃহস্পতিবার আজারবাইজান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
২৬

আজকের তরুণই আগামীর প্রবীণ

ডেস্ক রিপোট

প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০১৯  

প্রতি বছর অক্টোবর মাসের প্রথম দিন দিবসটি পালন করে পুরো বিশ্ব। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মতো করে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে থাকে। আমাদের দেশেও দিবসটি পালন করা হয়। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ছাড়া আর তেমন কেউ দিবসটি সম্পর্কে খুব বেশি সচেতন নয়।

দিন যত যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যসেবার মানের উন্নয়ন হচ্ছে। মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে প্রবীণ নারী ও পুরুষের সংখ্যাও। আজকের তরুণই আগামীর প্রবীণ। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্যমতে, ২০৫০ সাল নাগাদ আমাদের দেশে প্রবীণদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশ ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু এ ক্রমবর্ধমান প্রবীণদের নিয়ে আমরা কতটা সচেতন বা এই বিষয়টি আদৌ আমাদের মাঝে কোনো ধরনের আবেদন সৃষ্টি করে কি না তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বোপরি আমাদের বর্তমান সমাজব্যবস্থা প্রবীণবান্ধব নয়। সর্বক্ষেত্রে আমরা প্রবীণদের প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করতে পারছি না। অতএব বলা যায়, এখন নিশ্চিতভাবেই আমাদের সময় এসেছে প্রবীণদের অধিকার বিষয়ে চিন্তা করা।

আমরা যে আধুনিক সমাজে বসবাস করছি তা আজকে যারা প্রবীণ তাদেরই অবদান এবং তার স্বীকৃতি প্রদান আমাদের তরুণদের ভুলে গেলে চলবে না। প্রবীণরা কথা বলতে চায়, কিন্তু তাদের কথাগুলো শোনার মতো ধৈর্য আমাদের নেই বললেই চলে, অথচ এ প্রবীণদের হাত ধরেই আমরা নিবিড় যত্নে বেড়ে উঠেছি।

আমাদের দেশে প্রবীণদের জন্য কিছু ইতিবাচক ব্যবস্থা থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়। প্রবীণদের জন্য বয়স্কভাতা চালু আছে তবে তা সবাই পাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, সামর্থ্যবান সন্তানও তার প্রবীণ বাবা মায়ের দায়িত্ব নিতে চায় না। ফলে প্রবীণ নিবাসে দিন দিন হতভাগ্য প্রবীণদের সংখ্যা বাড়ছে। তাই প্রবীণদের জন্য সবার আগে দরকার অর্থনৈতিক নিরাপত্তা।

অতএব, প্রবীণবান্ধব সমাজ গঠনে এখন সচেতনতা বৃদ্ধি খুব জরুরি, আর এজন্য এগিয়ে আসতে হবে তরুণদের। তরুণরাই পারে সমাজের সব ধরনের সমস্যা সবার সামনে তুলে ধরে তার সমাধান করতে। তরুণদের উপলব্ধি করতে হবে তারাও একদিন প্রবীণ হবে। তাই প্রবীণদের সমস্যা দূর করে একটি প্রবীণবান্ধব ব্যবস্থা চালু করা গেলে তা মূলত নিজের ভালো থাকার পথকেই সুগম করবে। সবারই একদিন স্বাভাবিক নিয়মে প্রবীণ হতে হবে, অতএব প্রবীণদের অধিকার নিশ্চিতে এগিয়ে আসবো সবাই, এটাই হোক এবারের প্রবীণ দিবসের অঙ্গীকার।

লেখক: শফিউল আজম শাকিল, প্রভাষকসিআরপি নার্সিং কলেজসাভারঢাকা

আজকের খুলনা
আজকের খুলনা
এই বিভাগের আরো খবর